থমকে গেছে বেওয়ারিশ কুকুর নিধন অভিযান
মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ :
টেকনাফ (সীমান্ত) পৌর শহর ও পর্যটন এলাকা বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। একারণে নাগরিক জীবন অসহনীয় ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় উপনীত হয়েছে। পৌর শহরের অলিতে গলিতে, অফিস, হোটেল রেস্তোরা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঝাঁকে ঝাঁকে বেওয়ারিশ কুকুরের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করার মতো। অনেকেই কুকুরের কামড়ের শিকার হচ্ছে। টেকনাফ পৌর কর্তৃপক্ষ কুকুর নিধন কার্যক্রম ব্যবস্থা বন্ধ রাখায় আজ এমন অবস্থা বিরাজ করছে। গত ৫ বছর পূর্বে টেকনাফ পৌর কর্তৃপক্ষ কুকুর নিধন কার্যক্রম চালু করলেও কেন যেন এ ব্যবস্থা মাঝপথে বন্ধ রাখলো তাহা পৌরবাসীকে রীতিমতো ভাবিয়ে তুলেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডের মধ্যম জালিয়াপাড়া, কলেজ পাড়া, উত্তর জালিয়াপাড়া, নাইট্যংপাড়া ও প্রশাসন এলাকা বেওয়ারিশ কুকুরের কেন্দ্র স্থল। এসব এলাকা এখন বেওয়ারিশ কুকুরের দখলে। ভাদ্র মাস আসার সাথে সাথে কুকুরের উপদ্রব নির্যাতন বৃর্দ্ধি পাওয়ায় জনজীবন এখন হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। এমনকি স্কুলমূখী শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত রাস্তায় হেঁটে না এসে রিক্সায় করে প্রতিষ্ঠানে চলে আসে। বিশেষ করে পুরাতন পল্লান পাড়া নাইট্যং পাড়া ও জালিয়াপাড়া স্কুলমূখী শিক্ষার্থী ও সরকারী বেসরকারী চাকুরে ও বিভিন্ন পেশাজীবি, ব্যবসায়ীরা বেওয়ারিশ কুকুরের আতংক ও ঝুঁকি মাথায় নিয়ে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে চলে আসে। এ সময় অনেকেই কুকুরের কামড়ে শিকার হয়ে হাসপাতালমূলী হতে দেখা গেছে। হোটেল রেস্তোরা চায়ের দোকানে, মাছ বাজারে ও মাংসের দোকানে নিত্যদিন থাকে কুকুরের দল। পথচারীরা নির্ভিগ্নে যাতায়াত করতে পারেনা কুকুরের ভয়ে।
টেকনাফ মডেল থানার (ও’সি) রনজিত কুমার বড়–য়া এ প্রসংগে বলেন, কুকুর নিধন অভিযান বিষয়টি এখন জরুরী হয়ে পড়েছে। কেননা এনিয়ে জন আতংক বাড়ছে।
