টেকনাফ উপকূলে পৃথকভাবে ৩জন মৃতদেহ এবং ৪ দালালসহ ৪৮জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ভিকটিম উদ্ধার

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

হুমায়ূন রশিদ / আজিজ উল্লাহ : টেকনাফে সাগর উপকূল হয়ে ছোট ইঞ্জিন নৌকা দিয়ে বড় ট্রলারে যাওয়ার পথে নৌকা ডুবির ঘটনায় কোস্টগার্ড-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ৩জন রোহিঙ্গা নারীর ভাসমান মৃতদেহ, স্থানীয় ৪দালালসহ মোট ৪৮জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে।

৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার) ভোরে টেকনাফের বাহারছড়ার হলবনিয়া উপকূলে নৌকা ডুবির ঘটনায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড টেকনাফ বিসিজি ষ্টেশন কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আশিক আহমেদ এর নেতৃত্বে কোস্টগার্ডের বিশেষ টহল দল এবং টেকনাফ মডেল থানা-বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের টহল দল অভিযান চালিয়ে স্থানীয় ৪জন দালালসহ ৩৯জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে উদ্ধার করেছে। তারা কুতুপালং ৩,৬, বালুখালী, হাকিম পাড়া, জাদিমোরা ২৬নং শালবাগান ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। ৩৫জন রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৫জন যুবতি, ৩০জন পুরুষ। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন সাগর হতে উদ্ধারকৃত ভিকটিমদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেন।

এদিকে দুপুর ১২টারদিকে বাহারছড়া মারিশবনিয়া উপকূল থেকে ৩জন পুরুষ এবং ৩জন যুবতি নারীসহ আরো ৬জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে,বিকালের দিকে বাহারছড়ার মনতলিয়া সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে ভাসমান অবস্থায় ৩জন নারীর মৃতদেহ ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। তা উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধারকৃত ৪৮জনের মধ্যে ৪জন স্থানীয় দালাল, ৩জন মৃত এবং ৮জন জীবিত মোট ১১জন রোহিঙ্গা নারী ও ৩৩জন পুরুষ।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মোবারক হোসাইন জানান,মনতলিয়া ও শীলখালী সংলগ্ন সাগর হতে ৩জন নারী মৃতদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।

টেকনাফ বিসিজি ষ্টেশন কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আশিক আহমেদ জানান, উদ্ধারকৃত রোহিঙ্গা ভিকটিমদের বিষয়ে উপর মহল থেকে এখনো কোন সিদ্ধান্ত আসেনি। সিদ্ধান্ত আসলে সেই নির্দেশনা অনুসারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ###