সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
মোহাম্মদ রুবেল মিয়া, বয়স -৩১, পিতা রইছ উদ্দিন, মাতা – হাজেরা বেগম, গ্রাম ও ডাক – বুজরুক সন্তোষপুর, থানা – মিঠাপুকুর, জেলা- রংপুর, প্রায় মাসখানেক আগে বাড়ি থেকে হাড়িয়ে যায়।ঘুরতে ঘুরতে টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নে ঘুরাঘুরি অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পরলে এলাকার লোকজন টেকনাফের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানসিক রোগীদের তহবিল মারোত এর নিকট খবর দেন। মারোত এর স্বেচ্ছাসেবীগণ হাসপাতালের জরুরী চিকিৎসা দিয়ে টেকনাফ উপজেলা অডিটোরিয়াম এ ভাসমান প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে সে বেশি অসুস্থবোধ করলে হাসপাতাল গেইটে ঘুরাঘুরি অবস্থায় বেওয়ারিশ হিসেবে অসুস্থ হয়ে পরলে এলাকার লোকজন মারোত এর সভাপতি আবু সুফিয়ান এর নিকট খবর দেন। পরবর্তীতে সভাপতি আবু সুফিয়ান এর নের্তৃত্বে জয়েন্ট সেক্রেটারি মোবারক, সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাস উদ্দিন, কার্যনির্বাহী সদস্য নুরুল ইসলাম সহ স্বেচ্ছাসেবী দল ঐ মানসিক রোগীকে জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। মারোত নের্তৃবৃন্দ যথাযথ আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে টেকনাফ মডেল থানায় খবর দেন। পুলিশ ময়নাতদন্তের পর দাফনকাজ সম্পন্ন করতে মারোত এর মাধ্যমে পৌর কর্তৃপক্ষ র নিকট অনুরোধ করেন। পৌর কর্তৃপক্ষ আসরের নামাজ শেষে দাফনকাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ইতিমধ্যে সভাপতি আবু সুফিয়ান এর সাথে অপরিচিত একজন মৃত মানসিক রোগীর ব্যাপারে খোঁজ নেন ও দাফন না করে তাদেরকে হস্তান্তর করতে অনুরোধ করেন। তখন এই ব্যাপারে পুলিশের মতামত নিয়ে দাফনকাজ স্থগিত করা হলো। পরিবারের পক্ষ থেকে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত একজন পুলিশ কর্মকর্তা মৃত মানসিক রোগী র আত্নীয় পরিচয় দিয়ে লাশ গ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশ করলে, থানার তদন্ত কর্মকর্তা র মতামত নিয়ে মারোত নের্তৃবৃন্দ এর মাধ্যমে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। রাত ১১.৩০ মিনিটে একটি ফ্রীজার এম্বুলেন্স নিয়ে রংপুর এর উদ্দেশ্য রওনা দিলে মারোত নের্তৃবৃন্দ সফল মিশন সমাপ্তি ঘটে।
