Thursday, January 20, 2022
Homeটপ নিউজটেকনাফে প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্টান সমুহে উর্ত্তীন কমিটি পরির্বতন না হওয়ায় বাধ্যতা মুলক...

টেকনাফে প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্টান সমুহে উর্ত্তীন কমিটি পরির্বতন না হওয়ায় বাধ্যতা মুলক প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে ব্যাহত

আবুল কালাম অজাদ, টেকনাফ |
টেকনাফে প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্টান সমুহে উর্ত্তীন কমিটি পরির্বতন না হওয়ায় বাধ্যতা মুলক প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে ব্যাহত। সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে যুগ-উপযোগী করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতা মুলক করেছে। ঢেলে সাজিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্টান গুলোকে। পরির্বতন এনেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এর মধ্যে নতুন শিক্ষক-শিক্ষীকা দেরকে পিটি আই ট্রেনিং করেছে বাধ্যতা মুলক। ৫ম-শ্রেনীর বার্ষিক পরীক্ষা সমুহকে পরির্বতন করে সমাপনি পরীক্ষা (পিএসসি) বাধ্যতা মুলক করেছে। শিক্ষকদের দীর্ঘ দিনের দাবী সমুহ পুরন করে প্রধান শিক্ষকদেরকে দ্বিতীয় শ্রেনীতে উন্নতী করেছে। বে-সরকারি প্রতিষ্টানকে সরকারি করন করেছে। এর মুল কারন হচ্ছে শিক্ষার হার বাড়ানো।

এদিকে ঝড়ে পড়া রোধ করা, শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়মিত স্কুলগামী হচ্ছে কি না দেখভাল করার জন্য প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্টানে পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে। যার মিয়াদ কাল হচ্ছে ২ বছর।

২ বছর অন্তর অন্তর অভিভাবকদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে এই কমিটি।

যে কোন কমিটির সভাপতি দুবার নির্বাচিত হওয়ার পর তৃতীয় বারে নির্বাচিত হতে পারবেনা। যা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সার্কোলারের মধ্যে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে।

টেকনাফ উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৭৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই-তৃতীয়াংশের এসএমসির মিয়াদ উর্ত্তীন হওয়ার পরও নতুন কমিটি গঠনের কোন ইংগিত নেই। ফলে দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ন কমিটি নিয়ে চলছে বিদ্যালয়ের হালচাল।

এমনকি স্থানীয়রা জানিয়েছেন অনেক কমিটির সাথে স্কুলের শিক্ষার্থীদের কোন পরিচয়ও নেই। ক্ষমতার জোরে কমিটিতে বহাল রয়েছেন। ঐ কমিটির নেই কোন বৈঠক, নেই কোন স্কুল তদারকি, নেই কোন শিক্ষার হার বাড়ানোর উদ্যোগ । শুধু মাত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপর খবরদারী, নিজেই পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসাবে ক্ষমতার দাপট দেখানোই হচ্ছে তাদের কাজ।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন এমন কমিটিও রয়েছে কমিটির সভাপতি তৃতীয় শ্রেনীও পাশ করেনি।

এব্যাপারে স্থানীয় লোকজন বারংবার নতুন কমিটি করার জন্য স্কুলের শিক্ষকদেরকে বলাবলি করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

এই সংক্রান্ত বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত ধরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অনেক বিদ্যালয়ের কমিটির মিয়াদ উর্ত্তীন হয়েছে তা আমার জানা রয়েছে। এ বিষয়ে আমি আমার মন্ত্রনালয়ের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট পত্র দিয়েছি। চলতি বছরেই সার্কোলার আশার সম্ভাবনা রয়েছে।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments