হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফ সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি জওয়ানেরা গত আগষ্ট মাসে ২০ কোটি ৯২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৩শ ৫২ টাকার বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য ও চোরাইপণ্য জব্দ করেছে। এই ঘটনায় ১শ ২৯ মামলার বিপরীতে ৩৮ জনকে আটক এবং ১জনকে পলাতক আসামী করা হয়েছে। এদিকে সীমান্তে বিভিন্ন সংস্থার অভিযানের মধ্যেও মাদকের অপতৎপরতা অব্যাহত থাকায় জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গত ১ আগষ্ট হতে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বিওপি ও ক্যাম্প সমূহ বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট, চেকপোস্ট অভিযানের মাধ্যমে ৫০টি মামলার বিপরীতে ৩৫জন ধৃত আসামী ও পলাতক ১জনসহ ৫৭ হাজার ১১পিস এবং পরিত্যক্ত ৫ লক্ষ ৯৯হাজার ৭৮পিস ইয়াবা বড়ি জব্দ করা হয়। এছাড়া বিয়ারের ৬টি মামলায় ১ হাজার ৯৫ ক্যান বিয়ারসহ ৩জনকে আটক আর মালিকবিহীন ৫শ ১২ ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়। মালিকবিহীন ১টি মামলায় ৩৪ বোতল বিদেশী মদ জব্দ করা হয়। চোলাই মদের ৩টি মামলায় ৩শ লিটার মদ জব্দ করা হয়। ৬৯টি মামলায় ১ কোটি ১৮ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯শ ২টাকার অন্যান্য চোরাইপণ্য জব্দ করা হয়েছে। যার সর্বমোট বাজার মূল্য ২০ কোটি ৯২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৩শ ৫২ টাকা।
এই ব্যাপারে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল আছাদুদ-জামান চৌধুরী বলেন, দূর্গম সীমান্ত আর সীমাবদ্ধতার মধ্যে বিজিবি সীমান্ত সুরক্ষা এবং চোরাচালান দমনে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও চোরাচালান দমনে বিজিবি সর্বদা সর্তক অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে সীমান্তে মাদক দমনে র্যাব, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অভিযানের মধ্যে মাদক চোরাকারবারীদের অপতৎপরতা জনমনে নানা প্রশ্ন সৃষ্টির পাশাপাশি ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
