প্রেস বিজ্ঞপ্তি : টেকনাফ উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পন শেষে ফেরার পথে টেকনাফ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের মিছিলে গডফাদার আব্দুল্লাহ বাহিনীর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের হ্নীলায় অবাঞ্চিত ঘোষণা করে দলের পদ থেকে বহিস্কারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল এবং পথসভা করেছে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

২৬শে ফেব্রুয়ারী বিকাল ৪টায় হ্নীলা উত্তর শাখা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে হ্নীলা বাসষ্টেশনের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌরাস্তা মোড়ে এক পথসভা হ্নীলা ইউনিয়ন উত্তর শাখা বিএনপির আহবায়ক আলী আহমদ মেম্বারের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রফিকুল আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন হ্নীলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবছার কামাল ছিদ্দিকী, উপজেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ফায়সাল আমিন দূর্জয়, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক নুরুল আজিম সোহেল, হ্নীলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জুহুর আলম, টেকনাফ উপজেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দীন, হ্নীলা দক্ষিণ শাখা যুবদলের আহবায়ক সেলিম সর্দার, উত্তর শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম হৃদয়,উত্তর শাখা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ বিন কাদের, হ্নীলা উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্নআহবায়ক মুহাম্মদ আলম শাহীন, আব্দুর রহিম কাজু প্রমুখ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উত্তর শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবুল হাসেম, হ্নীলা উত্তর শাখা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, হ্নীলা উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্নআহবায়ক মোঃ আলমগীর, হোয়াইক্যং দক্ষিণ শাখা যুবদলের যুগ্নআহবায়ক হামিদ হোসেন, শফিকুল ইসলাম, হ্নীলা ইউনিয়ন উত্তর শাখা ছাত্রদলের সভাপতি শামসুল উদ্দিন বাদল, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা, সিনিয়র সভাপতি আবু সুফিয়ান কৌকব, দক্ষিণ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সাগর, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মৌঃ ইব্রাহিম,বিএনপি নেতা নুরুল আমিন, আলী আহমদ, জসিম উদ্দিন, সৈয়দ আহমদ, মোঃ ইউনুস প্রমুখ।
এতে বক্তারা বলেন,গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২টারদিকে টেকনাফ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে টেকনাফ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের পুষ্প অর্পন ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ফেরার পথে মিছিলে আব্দুল্লাহর পেট্রোল পাম্পের সামনে থেকে জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে ম্বশস্ত্র ৫/৬টি মোটর সাইকেলযোগে টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আহমদ শফি, ইউনুচ, রফিক, আজিজ, মুন্না, কালো, মোহাম্মদ করিম, নুর কামাল, শাহ আলম বিপ্লবসহ আরো ৪/৫জন স্বশস্ত্রভাবে অতর্কিত হামলা চালিয়ে উপজেলা বিএনপির যুগ্মসম্পাদক মোহাম্মদ আলী মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ,এম উসমান গণি, হ্নীলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সভাপতি নুরুল আমিন চৌধুরী, হ্নীলা উত্তর যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ হারুনসহ অনেককে মেরে রক্তাক্ত এবং আহত করে। এরপর তারা আহত নেতা কর্মীদের মূল্যবান মোবাইল, অর্থ ছিনিয়ে নিয়েছে। যা সরকারী দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন ছাড়া কিছুইনা।
আমরা যখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলকে শক্তিশালী করে গতিশীল ও শক্তিশালী আন্দোলনমুখী করে দলীয় কর্মসুচী বাস্তবায়নের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক এবং ভোটাধিকার আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, সে সময় দলের ভেতর ঘাঁপটি মেরে গ্রুপিং সৃষ্টিকারী সরকারী দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে এক সময়ের তালিকাভূক্ত মাদক কারবারীর ভাইদের অর্থায়নে দলকে সুসংগঠিত করতে না দেওয়ায় এই চোরাগোপ্তা হামলা বলে আমাদের বিশ্বাস। আমরা এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তাই জেলা বিএনপির কোষাধক্ষ্য নামধারী সরকারী দলের দালাল আবদুল্লাহ এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আহমদ শফিসহ হামলায় জড়িতদের হ্নীলা ইউনিয়নের মাটিতে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হচ্ছে। এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা দূরের কথা রাজনীতির চোরাবালিতে দলীয় কর্মকান্ড আটকে যেতে পারে। তাদের সাংগঠনিক পদবী থেকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় বিএনপি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল, জেলা বিএনপি ও জেলা ছাত্রদলের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি। ###
