জন্মনিবন্ধন সেবা থেকে বঞ্চিত সীমান্ত উপজেলা : বেড়েছে জনদূর্ভোগ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ::
বাংলাদেশ সীমানা পেরিয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কারনে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফসহ কয়েকটি উপজেলায় জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ একবছর। ফলে স্কুল কলেজ মাদরাসায় ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থী, বিবাহের কাবিন নামা, বিভিন্ন প্রতিষ্টানে চাকরী প্রত্যাশি এবং বিদেশগামী লোকজন ছাড়াও ব্যাংক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন অতি প্রয়োজনীয় কাজ চালাতে সাধারণ মানুষ বেকায়দায় রয়েছে।এনিয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী।
মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা প্রায় ১১লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রিত রোহিঙ্গারা যেন ভুল তথ্য দিয়ে জন্ব নিবন্ধনের আওতায় এসে বাংলাদেশী নাগরিক হতে না পারে সে জন্য অনির্দিষ্ট কালের জন্য জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে সরকার।
সূত্রে জানা যায় উখিয়ার-টেকনাফে বিভিন্ন ক্যাম্পে ১১ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় রয়েছে। তবে বেসরকারি হিসাব মতে এর সংখ্যা আরো বেশী হতে পারে। এসব পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা প্রায় সাড়ে ৬ হাজার একর বনভূমিতে আশ্রয় নিয়েছে। একারনে গত এক বছর ধরে ইউনিয়ন ও পৌর সভায় জন্মনিবন্ধন সেবা থেকে বঞ্চিত স্থানীয় জনগণ ।
টেকনাফ সদরইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাফেজ মাওঃ ছৈয়দুল ইসলাম এর সাথে কথা বলে জানা যায়, জন্মনিবন্ধন বন্ধ থাকাই একদিকে যেমন বেড়েছে জনদুর্ভোগ, তেমনি জনমনে ক্ষোভ ও বাড়ছে।
সেন্টমার্টিন ইউপিচেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন আমরা এ সমস্যায় রয়েছি। সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছি।
স্থানীয় সচেতন মহলের সাথে কথা বলে জানাযায় উখিয়া-টেকনাফে বাংলাদেশী নাগরিকের পাশাপশি রোহিঙ্গা জনসংখ্যার এই বাড়তি চাপ মেটাতে রাস্তা ঘাট বা অবকাঠোমো বাড়েনি। কিন্তু বেড়েছে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি এবং ককসবাজার-টেকনাফ সড়কে অতিরিক্ত পরিবহনের কারনে নিত্য যনজাট লেগে তাকে। ফলে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা ও লাশের মিছিল। এ ব্যাপরে টেকনাফ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভুমি প্রণয় চাকমা জানান রোহিঙ্গারা জন্ম নিবœধনের আশংকায় সরকার অনির্দিষ্ট কালের জন্য একার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।