চকরিয়া শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয় একাডেমিক ভবন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

এম.জিয়াবুল হক : অবশেষে প্রতিষ্ঠার অনেকবছর পর নতুন একাডেমিক ভবন পেতে যাচ্ছে চকরিয়া পৌরসভার প্রানকেন্দ্র মগবাজার এলাকায় অবস্থিত চকরিয়া শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়। চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলমের সার্বিক প্রচেষ্ঠায় কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে ৮০ লাখ ৭৫হাজার টাকা বরাদ্দের বিপরীতে বিদ্যালয়ে নির্মিত হচ্ছে চারতলা বিশিষ্ট আধুনিকমানের নতুন একাডেমী ভবন। শনিবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করেছেন এমপি জাফর আলম।
চকরিয়া শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি খোরশেদ আহমদ সওদাগরের সভাপতিত্বে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দিগরপানখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুল হক বিএসসি, চকরিয়া সিটি কলেজের অধ্যক্ষ সালাহউদ্দিন, চকরিয়া শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেক। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, কক্সবাজার-১ আসনের এমপি আলহাজ জাফর আলমের বিশেষ তদবিরে চলতি অর্থবছর কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের অর্থায়নে প্রায় ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ৩২টি স্কুল ও মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ জাফর আলমের নির্বাচনী প্রতিশ্রæতির আলোকে একবছরে সরকার এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে উল্লেখিত পরিমাণ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।
চকরিয়া শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেক বলেন, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এলাকায় শিক্ষার অগ্রগতিতে অসাধারণ ভুমিকা পালন করে চলেছে। কিন্তুমূল একাডেমিক ভবনটি অনেক পুরোনো এবং জরাজীর্ণ হওয়ায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছিল। এই অবস্থায় বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের নতুন একাডেমিক ভবন দেওয়ায় দীর্ঘদিন পর ভবন সংকটের অবশান হচ্ছে। নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণে সহযোগিতা করায় এমপি জাফর আলমকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এলাকায় অনেকে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। কিন্তু তারা দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন করতে পারেনি। করতে পারেননি কোন রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উলে­খযোগ্য কোন ভবন।
তিনি বলেন, আমি ২০১৮ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়েই দায়িত্ব পালন শুরু করেছি। যার প্রেক্ষিতে আমার নির্বাচনী এলাকার বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাকে জীর্নশীন অবস্থা থেকে উত্তোরনে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ ছাড়াও অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে জোর পদক্ষেপ গ্রহণ করি। এতে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিতের মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন কর্মকান্ড শুরু হয়েছে। ##