এম জিয়াবুল হক : চকরিয়ায় শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামী গৃহকর্ত্রী সুমা আক্তারকে (৩২) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫।
গতকাল শনিবার দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের মুহুরীপাড়া থেকে সুমাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সুমা আক্তার চকরিয়া উপজেলার ফাসিয়াখালী সেচ হাজিয়ান এলাকার হারুন কামালের স্ত্রী।
মামলার এজাহার ও নিহতের পরিবার সুত্রে জানা গেছে, গত ১০ মে চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের হাজিয়ানপাড়া এলাকার হারুন কামালের বাড়ির শিশু গৃহকর্মী মিফতাহ মনি (১০) কে তার স্ত্রী সুমা আক্তার নির্যাতন করে হত্যা করে। পরে স্বামীর সহায়তায় মরদেহ বাড়ির ডিপ ফ্রিজে রেখে দেন।
পরদিন নিহতের বাড়িতে খবর দেয়া হয় ডায়রিয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। পরবর্তীতে গৃহকর্মীর মরদেহ এম্বুলেন্সে করে মহেশখালীতে পাঠিয়ে দিয়ে স্বামী-স্ত্রী দ্জুনেই পালিয়ে যায়।
এ ঘটনার ৭দিন পর গত ১৭ মে শিশু মিফতাহ মণির পিতা সৈয়দ নূর বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় স্বামী-স্ত্রীসহ অজ্ঞাত দুইজনকে আসামী কার হয়। মিফতাহ মনি মহেশখালী উপজেলার গোরকঘাটা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড সিকদার পাড়ার সৈয়দ নূরের মেয়ে।
ঘটনার ১৭দিন পর গতকাল শনিবার বিকালে র্যাব-১৫ কক্সবাজার ক্যাম্পের একটি দল কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে মামলার এক নম্বর আসামী সুমা আক্তারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব-১৫ কক্সবাজার ক্যাম্পের অধিনায়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃত সুমা আক্তার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। গতকাল বিকালে তাকে চকরিয়া থানায় সৌপদ্দ করেছে র্যাব।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, সুমা আক্তারকে রবিবার আদালতে উপস্থাপন করা হবে। ##
