নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়া উপজেলার পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নে মসজিদ কমিটির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ায় ক্ষোভের জেরে বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করেছে কতিপয় লোকজন। শুক্রবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে পূর্ববড়ভেওলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ফজু মিয়াজির চর গ্রামে ঘটেছে এ ঘটনা। এ ঘটনার পর এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। অন্যদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগি পরিবারের গৃহকর্তা স্থানীয় জালাল আহমদের পুত্র হাফেজ মৌলানা মহি উদ্দিন বাদী হয়ে আইনের আশ্রয় নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের গৃহকর্তা হাফেজ মৌলানা মহি উদ্দিন বলেন, তিনি চকরিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পালাকাটা খোন্দকার পাড়া মসজিদের খতিব ও ইমাম হিসেবে চাকুরী করেন। চাকুরীর সুবাদে তার বাড়ি ফিরতে রাত হয়। সম্প্রতি সময়ে স্থানীয় পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের নিজ গ্রামে ফজুমিয়াজির চর বায়তুল করিম জামে মসজিদ কমিটির নির্বাচনে তিনি সভাপতি পদে নির্বাচন করছিলেন।
হাফেজ মৌলানা মহি উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, এলাকার মসজিদ কমিটির নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হওয়ায় কতিপয় লোকজন তা কোনমতে মেনে নিতে পারছে না। এরই জের ধরে একই এলাকার মৃত নজির আহমদের পুত্র নাজেম উদ্দিনের নেতৃত্বে তার সহযোগি জসিম উদ্দিনের পুত্র রেজাউল করিম, আমির উদ্দিনের পুত্র হাবিব উল্লাহ, আলি আহমদের ছেলে মুসলিম উদ্দিন ও নাজেম উদ্দিনের ছেলে নাজমুল হাসান ফারেছসহ ভাড়াটিয়া লোকজন শুক্রবার রাত ৯টার দিকে আমার বসতবাড়িতে ঢুকে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুর চালায়।
এসময় কোন পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগে বাড়ির সামনের ও পেছনের দরজা ভাংচুর চালিয়ে বাড়িতে ঢুকে আলমারিতে রক্ষিত নগদ ৫৫ হাজার টাকা, বিদেশী ২টি কম্বল, ২টি মোবাইল সেট লুট করে করে নিয়ে যায়। ওইসময় পরিবারের নারী সদস্যদের আত্বচিৎকারে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে গেলে তারা পালিয়ে যায়।
হাফেজ মৌলানা মহি উদ্দিন অভিযোগ করে আরও বলেন, হামলার সময় তারা আমার স্ত্রী বুলু আক্তার ও মেয়ে নাহিদাকে অস্ত্রের মুখে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে লুটপাট চালায়। বর্তমানে অভিযুক্তরা হামলার ঘটনায় কোন মামলা করলে বসতভিটা দখলসহ এলাকা ছাড়া করবেন বলে হুমকি দিচ্ছে । এ অবস্থায় আমি পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এব্যাপারে আমি প্রশাসনের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ##
