নিজস্ব প্রতিবেদক :
টেকনাফে জালদলিল সৃজন করে রাখাইন জমিদার ক্যাম্রাউ চৌধুরীর ওয়ারিশদের কোটি টাকার সম্পত্তি জবরদখল করা সেই ভূয়া দলিল দাতা কথিত উথাথাও চৌধুরী নামের জন্মনিবন্ধনটি ভূয়া বলে প্রতিবেদন দিয়েছে কক্সবাজার সদর উপজেলা। ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দেয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী এই রিপোর্ট দেয়া হয়। একই সাথে তার বড়ুয়া পাড়া খরুলিয়ার ঠিকানাটিও ভূয়া বলে উল্লেখ করা হয়।
গত ০৩ এপ্রিল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন রায় এ প্রতিবেদন প্রদান করেন।

এর আগে ঝিনাইদহ পৌরসভা সেই প্রতিবেদনটি জালিয়তি করে নেয়া বলে রিপোর্ট দিয়েছিল। ফলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কে এই কথিত উথাথাও চৌধুরী ? তার আসল পরিচয় কি ? উল্লেখ্য দিয়ারা জরিপের একটি নামের ভুলের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কথিত উথাথাও চৌধুরীকে মালিক সাজিয়ে টেকনাফ পৌরসভার উপরের বাজার এলাকায় কয়েক কোটি টাকার জমি জবরদখল করে মৌলভী হাবিব শাহ সিন্ডিকেট। এতে মৌলভী সৈয়দ হোসেনকে গ্রহীতা করে একটি আমমোক্তারনামা দলিল সৃজন করা হয়। পাশাপাশি তা মো: শফি সহ বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রয় দলিল করে করে জবরদখল করা হয়। আর এই ভুয়া দলিলের লেখক ও ভূয়া মালিক উথাথাও এর শনাক্তকারী হয়েছেন দেলোয়ার মুন্সি। যাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আদালতে মামলা ও পুলিশের কাছে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। সরকারী প্রতিবেদনে উল্লেখিত কথিত উথাথাও চৌধুরী ব্যক্তিটি ভূয়া প্রমানিত হওয়ায় তার আসল পরিচয় বের করার পাশাপাশি জালদলিল সৃজন করে সংখ্যালঘু রাখাইনদের কোটি টাকার জমিজমা জবরদখলকারী চক্রের হোতাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে র্যাব-পুলিশ সহ আইন শৃংখলা বাহিনীর প্রতি দাবী জানিয়েছেন প্রকৃত জমির মালিকরা।এছাড়া দলিল লিখকের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসে ভূয়া ব্যক্তির শনাক্তকারী সেজে ভূয়া দলিল সৃজনকারী দলিল লিখক দেলোয়ারের সনদ বাতিল পূর্বক গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার দাবী সচেতন মহলের। এব্যাপারে ইতিপূর্বে অভিযুক্ত দেলোয়ার-সৈয়দ হোসেনসহ জড়িত ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা উথাথাও নামের ব্যক্তির পরিচয় সঠিক বলে দাবী করেছিলেন।

উল্লেখ্য ইতিপুর্বে টেকনাফ টুডে ডটকমে এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি সম্বলিত প্রতিবাদ প্রকাশ করেছিলেন একটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে।
