Thursday, January 20, 2022
Homeউখিয়াউখিয়ায় রোহিঙ্গাদের সরকারী বন ভুমিতে ঝুপড়ি ঘর নির্মান করে দিচ্ছে স্থানীয় সিন্ডিকেট

উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের সরকারী বন ভুমিতে ঝুপড়ি ঘর নির্মান করে দিচ্ছে স্থানীয় সিন্ডিকেট

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
দেশের ক্রাইম জোন নামে খ্যাত উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় স্থানীয় বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে ম্যানেজ করে মিয়ানমারের নির্যাতন নিপীড়ন সহ্য করতে না পেরে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের কে আশ্রয় দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে এলাকার এক শ্রেনীর চিহ্নিত ভুমিদস্যুরা। জানা গেছে, উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং গ্রামের মৃত ফকির আহম্মদের ছেলে এলাকার চিহ্নিত ভুমি দস্যু মোঃ শাহজাহান সড়কের পার্শ্বে পড়ে থাকা সরকারী হাস জায়গা জবর দখল করে সরকারী বন ভুমির সামাজিক বনায়নের কাঠ নিধন করে ওই কাঠ দিয়ে প্রায় ৩ শতাধিক স্থাপনা নির্মান করে দিয়ে, পরিবার প্রতি জামানত ৫ হাজার টাকা ও মাসিক ভাড়া ১ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে। তার পার্শ্ববর্তী মৃত ফকির আহম্মদের ছেলে হামিদুল হকও সরকারী বন ভুমির জায়গা দখল করে একই ভাবে টাকার বিনিময়ে অনুপ্রবেশকারীদেরকে আশ্রয় দিচ্ছে। এ ছাড়াও এমএসএফ হাসপাতালের সামনে আব্দুর রশিদের ছেলে ছৈয়দ নুর সহ একাধিক লোকজন রোহিঙ্গাদের ঘর নির্মান করে ভাড়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, গত ৯ অক্টোবর মিয়ানমার বিদ্রোহী সশস্ত্র সংগঠন আলিয়েকিন এর পরিচালক হাফেজ আতাউল্লাহ এবং জি আরসি ( গ্লোবল রোহিঙ্গা সেন্টার) এর পরিচালক সৌদিআরবের রিয়াদে বসে এ সংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে মংডু সেনা ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে ৯ জন সেনা সদস্যকে নিহত করে এর পর থেকে রোহিঙ্গাদের উপর চলে চরম জুলুম ও নির্যাতন । নির্যাতন সহ্য করতে না পারে রোহিঙ্গারা সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বিজিবির চোঁখ দিয়ে এ দেশে চলে আসতে শুরু করে। যার ফলে এ পর্যন্ত অসংক্য রোহিঙ্গা উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তিতে ও টেকনাফের লেদা, মুছনী রোহিঙ্গা বস্তিতে আশ্রয় নেয়। উখিয়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গাদের যারা সাহয্য সহযোগিতা করেন তারা এদেশের ক্ষতিকারক লোক। তিনি আরো বলেন , রোহিঙ্গাদের ছড়িয়ে ছিটিয়ে না রেখে এক জায়গায় নিয়ে না গেলে এলাকার আইনশৃংখলার অবনতি হতে পারে।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments