Monday, January 17, 2022
Homeটপ নিউজইয়াবা ও ধর্ষন মামলার আসামী লেদার জহুর আলম প্রকাশ্য ঘুরছে

ইয়াবা ও ধর্ষন মামলার আসামী লেদার জহুর আলম প্রকাশ্য ঘুরছে

রফিক মাহামুদ, উখিয়া ॥
টেকনাফ থানা পুলিশের ছত্রছায়ায় হৃীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকায় একটি সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে বাঁধাহীনভাবে চলছে ইয়াবা বানিজ্য।একাধিক মামলার আসামী বার্মাইয়া বেলা কাদেরের ছেলে জহুর আলমের নেতৃত্বেই চলছে এ বানিজ্য।সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ধর্ষন মামলা রুজু হয়েছে।যার নং-৩২ তারিখ-১৭/১০/২০১৬।কিন্তু পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছেনা । থানা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এক প্রকার প্রকাশ্যের চলছে তার এ অবৈধ বানিজ্য।স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার আশ্রয় প্রশয়ে থেকে চিন্থিত একাধিক মামলার আসামী হয়েও সে বীরদর্পে এলাকায় বিচরন করে যাচ্ছে। তার ভাই নুরুল ইসলাম,মোহাম্মদ নুর ও নুরুল আলম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চালিয়ে নিচ্ছে ইয়াবা বানিজ্য।এতে রাতারাতি বাড়ী গাড়ি সহ অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছে জহুর আলম পরিবার।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ব্যারের ত্রুসফায়ারে নিহত চিন্থিত ইয়াবা গড়ফাদার নুর মোহাম্মদের লেবার হিসেবে ইয়াবা ব্যবসায় সম্পৃক্ত হওয়া জহুর আলম ২০১৩ সালের ১৪ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের সিটি গেট এলাকা থেকে সাত হাজার ৬০০ ইয়াবা সহ আটক হয়ে চট্রগ্রাম আকবর শাহ থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলায় ২ বছর জেল খেটেছে। কিন্ত জেল থেকে বের হয়ে পুনরায় ফিরে আসে পুরোনো বানিজ্য।অল্পদিনেই লেদা এলাকায় ইয়াবার পাইকারী গড়ফাদার হিসেবে পরিচিত লাভ করে।ভাই নুরুল ইসলাম,মোহাম্মদ নুর ও নুরুল আলম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগীতায় প্রভাব বিস্তার করে নিয়ন্ত্রনে নেয় লেদা এলাকার ইয়াবা ব্যবসা।একাধিক মামলা থাকার পরও থানা পুলিশ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে জহুর আলম লেদা এলাকায় প্রকাশ্যে রমরমা ইয়াবা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।এদিকে গত ১৭ অক্টোবর জহুর আলমের বিরুদ্ধে কিশোরী অপহরন ও ধর্ষনের অভিযোগে কিশোরীর ভাই জামাল হোসেন বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে।উক্ত মামলার এজাহারভুত্ত ২ নং আসামী জহুর আলম। কিন্ত প্রকাশ্যে ধর্ষন মামলার আসামী প্রকাশ্যে ঘুরলেও পুলিশের খাতায় পলাতল।মামলার বাদী জামাল হোসেনের অভিযোগ প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের মাধ্যমে মামলা তুলে নিতে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে জহুর আলমসহ অন্যন্য আসামীরা।আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনভাবে শংকিত অবস্থায় দিনানিপাত করছি। এ ব্যাপারে টেকনাফ থানার ওসি আবদুল মজিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আসামীদের গ্রেফতারের ব্যাপারে প্রশাসনের আন্তরিকতার কমতি নেই।ইয়াবা ব্যবসায়ী হৌক বা ধর্ষন মামলার আসামী হৌক কেউ গ্রেফতার এড়াতে পারবেনা।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments