Trenches are prepared by the side of the road as a precaution against Russian attacks, in Kyiv, Ukraine on March 10. (Emin Sansar/Anadolu Agency/Getty Images)
টেকনাফ টুডে ডেস্ক : কিয়েভের উত্তরে কয়েক দিন একই অবস্থানে থাকার পর রুশ সাঁজোয়া যানের বিশাল একটি বহর ভাগ হয়ে ইউক্রেনের রাজধানীর তিনদিকে অবস্থান নিয়েছে। এ ঘটনাকে দ্বিগুণ শক্তিতে আক্রমণ চালানোর পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে ভাবছে বিশ্লেষকেরা। খবর ভয়েস অব আমেরিকা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, রাশিয়ার বাহিনী কিয়েভের আরও ৫ কিলোমিটার কাছে সরে এসেছে এবং গোলন্দাজরা এমনভাবে অবস্থান নিয়েছে যাকে গোলাবর্ষণের অবস্থান হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
আরও বলছেন, রুশ বাহিনীর এমন গতিবিধি তাদের অন্যান্য সামরিক পদক্ষেপের সময়ের সঙ্গে মিলে গেছে, যেমন; পূর্বাঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর নিপ্রোতে গোলাবর্ষণ। শহরটি নিপার নদীর তীরবর্তী একটি শিল্পোৎপাদন কেন্দ্র এবং ইউক্রেনের চতুর্থ বৃহত্তম শহর।
অবস্থান পরিবর্তনের পাশাপাশি লাভিভের ১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে, পশ্চিম ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনা ও সামরিক বিমানক্ষেত্রগুলোতে পরপর বিমান হামলা চালানো হয়। লাভিভে দেশের অন্যান্য অংশ থেকে পালিয়ে আসা দুই লাখেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়ে আছেন।
কয়েক দিন ধরেই ইউক্রেনের কর্মকর্তারা কিয়েভে রাশিয়ার একটি আগ্রাসনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। এর আগে স্যাটেলাইট থেকে রুশ বাহিনীর সেখানে জড়ো হওয়া শনাক্ত করা হয়। রাশিয়ার বাহিনীর বহরটি একপর্যায়ে ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ হয়ে যায়। ভূপর্যবেক্ষণ ও মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি মাক্সার টেকনোলজিসের স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায় যে, সাঁজোয়া যান, ট্যাংক এবং কামানের বহরটিকে মূলত কিয়েভের উত্তর-পশ্চিমে অ্যান্টোনভ বিমানবন্দরের কাছের জঙ্গল ও শহরগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে।
