Monday, January 17, 2022
Homeখেলাধুলাআরেকটি হোয়াইটওয়াশ লজ্জা

আরেকটি হোয়াইটওয়াশ লজ্জা

নিউজিল্যান্ড সফরের শেষ টি ২০-তে বাংলাদেশ ২৭ রানে হেরে গেছে। এর ফলে ওয়ানডের পর টি ২০-তেও হোয়াইটওয়াশ হল বাংলাদেশ।

স্বাগতিকদের ছুড়ে দেয়া ১৯৫ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ১৬৭ রান করতে সমর্থ হয়।

হোয়াইটওয়াশ লজ্জা এড়ানোর এই ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। চার ওভারেই আসে ৪০ রান। এরপরই পথ হারায় সফরকারীরা। দলীয় ৪৪ রানে টেন্ট বোল্টের বলে গ্র্যান্ডমির তালুবন্দি হয়ে ফেরেন তামিম ইকবাল, ১৫ বলে তিন চার, এক ছ্ক্কায় ২৪ রান করে।

এরপর সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমান দলকে পথ দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু দলীয় ৮২ রানে স্পিনার ইশ সোধির বলে তার হাতেই ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ২৮ বলে ৬ চারে ৪২ রান করা সৌম্য সরকার।

দলীয় ৯৭ রানে কেন উইলিয়ামসন বোল্ড করে ১৮ রান করা সাব্বিরকে ফেরালে চাপে পড়ে সফরকারীরা। সেখান থেকে প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হন মাহমুদুল্লাহ, সাকিব, মোসাদ্দেকরা।

দলকে বিপদে রেখে ১২২ রানে সোধির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, ১৮ রান করে। এরপর দলীয় ১৫০ রানে মোসাদ্দেককে তুলে নেন মিশেল স্যাটনার। আর পরাজয় যখন নিশ্চিত ইনিংসের তিন বল বাকি থাকতে শেষ ভরসা সাকিব ফিরে যান বোল্টের বলে কোরি অ্যান্ডারসনের তালুবন্দি হয়ে। তিনি ৩৪ বলে চার বাউন্ডারিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন। এরপর বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৬৭ রানে।

নিউজিল্যান্ডের পক্ষে টেন্ট বোল্ট ও ইশ সোদি ২টি করে উইকেট নেন। অনবদ্য ৯৪ রান করা কোরি অ্যান্ডারসন হয়েছেন ম্যাচসেরা।

এর আগে রোববার বাংলাদেশ সময় ভোরে মাউন্ট মাঙ্গানুইতে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা। শুরুতেই তার সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা প্রমাণ করেন রুবেল হোসেন ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

৪১ রানেই এই দু’জন তুলে নেন কিউইদের প্রথমসারির তিন ব্যাটসম্যানকে। সেখান থেকে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও কোরি অ্যান্ডারসনের ১২৪ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে স্বাগতিকরা।

অবশ্য ভাগ্যও সহায় ছিল উইলিয়ামসনদের। তা না হলে মাশরাফির বলে দু’দুটি সহজ ক্যাচ কেন ফেলবেন দেশের সেরা ফিল্ডার সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল?

শেষ পর্যন্ত ক্যাচ ফেলার মাশুল গুণেছে টাইগাররা। স্বাগতিকরা ৪ উইকেটে করে ১৯৪ রানের পাহাড়।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন কোরি অ্যান্ডারসন। মাত্র ৪১ বলে এই রানের পথে তিনি কিউইদের হয়ে এক ইনিংসে রেকর্ড ১০টি ছক্কা ও দুটি চার মেরেছেন। এরপরই ৫৭ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬০ রান করেছেন দু’বার জীবন পাওয়া উইলিয়ামসন।

রুবেল টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়েছেন, ৩১ রান খরচায়। তিনি প্রথম দুই ওভারে ৭ রানে নেন দুই উইকেট। পরের দুই ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নেন উইলিয়ামসনের উইকেট।

এ ম্যাচে পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্রাম দিয়ে একাদশে নেয়া হয় আরেক পেসার তাসকিন আহমেদকে। কিন্তু তিনি নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। চার ওভারে ৩৭ রান দিয়ে থেকেছেন উইকেট শূন্য।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments