আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নাইক্ষ্যংছড়িতে জমি দখলের অভিযোগ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

শামীম ইকবাল চৌধুরী : দেশে বিরাজমান পরিস্থিতির সুযোগে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আদালতের ১৪৪ধারা আদেশ উপেক্ষা করে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভূমি দখলের তৎপরতার কারণে নারী-পুরুষসহ ৯জনের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

২৭০নং নাইক্ষ্যংছড়ি মৌজার ফুট্টাঝিরি গ্রামের বাসিন্দা নুর হোছাইন জানান- ২০১৪সনে তিনি ৬৪নং হোল্ডিং থেকে ৪একর ৩য় শ্রেণীর জমি খরিদ করেন। পরে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয় থেকে ১১৫/১৪ মূলে জমি বিক্রি অঙ্গিকারনামা দলিল সৃজন করেছেন। ওই জমি খরিদের পর থেকে স্থানীয় একটি চক্র তার ক্রয়কৃত জমি জবর দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

এই জমি বিরোধের বিষয়ে ২০১৭সনের ১০ অক্টোবর বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ১৪৪ধারা জারী করে। পরবর্তীতে ২২/২০১৭ মিস, সি, আর ফৌ: কা: বি: ১৪৫ ধারা বাদী নুর হোসনের পক্ষে আলী হোসেনের বিরুদ্ধে জারিকৃত আদেশ বলবত রয়েছে।

কিন্তু দেশে চলমান পরিস্থিতিতে প্রশাসনের ব্যস্ততা ও আদালত বন্ধ থাকার সুযোগে ভুমি জবর দখলে জড়িত চক্রটি আদালতের আদেশ অমান্য করে গত ২২মে ২০২০ পরিকল্পিতভাবে জমিতে স্থাপনা তৈরী করে ফেলেন।
বাদী নুর হোসেনের বিজ্ঞ আইনজীবী বলেন, ফৌ:কা:বি ১৪৫ ধারা মিস সি আর ২২/১৭ মামলাটি ইতিপূর্বে পক্ষদ্বয়ের উপস্থিতিতে শুনানী ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ২য় পক্ষকে তফসীল বর্নিত ভূমিতে অবৈধ অনুপ্রবেশ বারিত করে রায় প্রচার করার পর যেহেতু এ পর্যায়ে এ মোকাদ্দামাকে ফৌ: কা: বি ১৪৫ ধারায় রুপান্তরিত করার কোন যৌক্তিক কারন আছে মর্মে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় না। তাতে সার্বিক বিবেচনায় অত্র মোকাদ্দমায় বাদী নুর হোসেনের পক্ষ প্রার্থীত প্রতিকার পাওয়ার যোগ্য বলে এ মোকদদ্দামার তফসীল বর্নীত ভূমিতে ২য় পক্ষ আলী হোসেন গং কে অবৈধ অনুপ্রবেশ বারিত করে ফৌ: কা: বি ১৪৫ ধারা জারি করা হয়েছে। তা এখনো এই জারি বলবত রয়েছে বলে জানান। যেহেতু করোনা পরিস্থিতির সুযোগ বুঝে আমার মোয়াক্কালের দখলীয় জমি প্রতিপক্ষ আলী হোসেন গং এরা দখল করার পায়তাঁরা চালাচ্ছে। আর এদিকে করোনা প্রতিরোধের ব্যস্ততার কারনে আদালত,প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনী কাছে আমার মাওয়াক্কেল অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা।

এই বিষয়ে নুর হোছাইন সাংবাদিকদের জানান- আদালত বন্ধ থাকার সুযোগে ভূমিদস্যুরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মাধ্যমে স্থাপনা তৈরী করেছে। এই ঘটনায় আইনজীবির মাধ্যমে পরামর্শ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভুমিদস্যুচক্র আলী হোসেন, আব্দুল গফুর, নবী হোসেন, রমজান আলী, মতিউর রহমান, রেহেনা আক্তার, মো: শাহিন, হেলাল উদ্দিন ও আক্তার এর বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে তিনি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।