জাদিমুরা এলাকায় পাহাড়ে রোহিঙ্গা ডাকাত নুর মোহাম্মদের আস্তানা
মোঃ আশেকউল্লাহ ফারুকী : যেখানে আশ্রিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং পাহাড় সেখানে মাদক ব্যবসা ও পাচার চলে নিরাপদে। যদিও আলোচিত মাদক পাড়া সমূহে আইন শৃংখলা বাহিনীর মাদক বিরুধী অভিযান এবং বন্দোকযুদ্ধ চলমান থাকলেও যা নিয়ে সচেতন মহলের মধ্যে রীতিমতো প্রশ্ন উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, হ্নীলা ইউনিয়নের উলুচামরী, পশ্চিম পানখালী ও ওয়াব্রাং এ ৩টি পাড়া বর্তমানে আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছে। অতীতে মাদক ছাড়াও নানা অপকর্ম থাকলেও তা বর্তমানের তুলনায় ক্ষীন বলে অনেকের অভিমত। ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট মিয়ানমার থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের পর থেকে উলুচামরী, পশ্চিম পানখালী ও ওয়াব্রাং এ ৩টি পাড়া বনে যায়, মাদক, দস্যুতা, অহপরনসহ নানা অপকর্মের স্বর্গরাজ্য। উলুচামরী ও পশ্চিম পানখালী পাহাড় সংলগ্ম এবং ওয়াব্রাং নাফ নদীর তীরবর্তী। সে সুবাধে মাদক প্রবেশ, ব্যবসা ও পাচার চলে নিরাপদে। রোহিঙ্গা এবং স্থানীয়দের সমন্নয়ে গড়ে উঠে মাদক ব্যবসা ও পাচার সিন্ডিকেট। ওয়াব্রাং, চৌধুরী পাড়া, রঙ্গিখালী-গাজীপাড়া,আলীখালী ও জাদিমুড়া সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা/মাদকের চালান প্রবেশের পর স্থানীয় পাহাড়ে মাদকের আস্থানায় মওজুদ হয় এবং পরে পাহাড়ের গভীর অরন্য এবং সাগর ও স্থল পথে পাচার হয়ে যায়। মাদক প্রবেশের রোহিঙ্গারাই হচ্ছে মূল পূঁজি। স্থানীয় তালিকাভূক্ত ও নব্য মাদক ব্যবসাযীরা ওদেরকে মাদক পাচার মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করছে। ইতিপূর্বে জাদীমুরা সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মাদকের চালান প্রবেশের সময় স্থানীয় বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদক উদ্ধার ও পাচারকারী রোহিঙ্গারা বন্দোকযুদ্ধে খুন হবার ঘটনাও ঘটে। গোয়েন্দা এবং স্থানীয় সংশ্লিষ্ঠদের সূত্রে জানা যায়, হ্নীলা উলুচামরী পশ্চিম ও পানখালী এ ২টি পাড়ায় মাদক, দস্যুতা ও অপহরণ নামক ভয়ংকর স্বর্গরাজ্য পরিনত হয়েচে। স্থানীয় এবং রোহিঙ্গা, মাদক ব্যবসায়ী দস্যূরা মিলে আইন শংখলা পরিপন্থী মূলক এসব অপকর্ম ছড়াচ্ছে। যার কারণে সাধারণ বসবাসকারী মানুষ জান ও মালের নিরাপত্তার অভাবে ভোগছেন। এ ২টি পাড়ায় জনশ্রæতি অনুযায়ী কয়েকশত শীর্ষ মাদক কারবারী, স্থানীয় ও রোহিঙ্গা ডাকাত উলুচামরী ও পানখালী পাহাড়ের গভীর অরণ্যে আস্থানা ঘেড়ে বসেছে। সেখান থেকেই মাদক ব্যবসা, ডাকাতী ও অপহরণ নিয়ন্ত্রন করা হয়। ওরা রাত্রে এলাকায় অবাধ বিচরণ করে এবং দিনের বেলায় থাকে পাহাড়ী আস্থানায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হোয়াইক্যং, হ্নীলা, বাহারছড়া ও টেকনাফের পাহাড়ের গভীর অরণ্যে প্রায় ২২টি মতো ক্রাইম আস্থানা গড়ে তুলেছে স্থানীয় ও রোহিঙ্গা মাদককারবারীরা ও শীর্ষ ডাকাতেরা। এ প্রসঙ্গে টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, বিষয়টি আমার নজরে রয়েছে। তথ্য দিয়ে ০১৮১৮০৮৭৩০৪ এ নম্বরে সহযোগিতা করুন । চলবে…
