সব দল চাইলে নির্বাচন পেছানো যেতে পারে: তফসিল পেছানোর সুযোগ নেই : সিইসি

image-109050-1541530501.jpg

: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ পেছানোর সুযোগ নেই। তবে সব রাজনৈতিক দল চাইলে নির্বাচনের তারিখ পেছানো যেতে পারে। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট (ইটিআই) ভবনে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এ সময়ের মধ্যেই নির্বাচন হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপের ফল না আসা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনকে তফসিল ঘোষণা না করতে সোমবার অনুরোধ জানিয়েছিল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এর একদিন পরই মঙ্গলবার সিইসি জানালেন, কমিশন সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবারই তফসিল ঘোষণা হচ্ছে। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য জানুয়ারি মাসটা নানা কারণে ডিস্টার্ব মাস। জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা হয়। আমি যতদূর জানি, দুই দফায় ইজতেমার কারণে ১৫ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। এখানে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পুলিশ, র‌্যাব নিয়োগ করা হয়। পহেলা ডিসেম্বরের পর থেকে স্কুলগুলো খোলা থাকে। এ ছাড়া এ সময় অনেক শীত ও কুয়াশা থাকে। এ জন্য চর ও হাওর অঞ্চলে ঝুঁকি থাকে। এসব কারণে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হওয়া দরকার।’

বিএনপির গঠনতন্ত্রের বিষয়ে নুরুল হুদা বলেন, আমরা আদালতের নির্দেশনা পালন করব। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পোলিং এজেন্টদের গ্রেফতার আতঙ্কের বিষয়ে আমি জানি না। আমাদের সব সময় নির্দেশনা থাকে যেন অযথা কাউকে গ্রেফতার বা হয়রানি না করা হয়। এবারও তাই থাকবে।

এর আগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধনকালে সিইসি বলেন, সীমিত আকারে শহরাঞ্চলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তবে কোথায় ব্যবহার করা হবে এটি কমিশনের হাতে থাকবে না। দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে এটি করা হবে। কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ইভিএম ব্যবহারে যদি দেখেন ভোটারদের স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে না, তাহলে আমাদের জানাবেন। আমরা স্বার্থ রক্ষা না হলে ভোটারদের ওপর এটি জোর করে চাপিয়ে দেব না।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top