টেকনাফে সোর্স সন্দেহে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের হামলায় মা-ছেলে সহ আহত-৩

Teknaf-pic_22.10.18.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি :
টেকনাফে আইন শৃংখলা বাহিনীর সোর্স সন্দেহে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের হামলায় মা-ছেলে সহ ৩ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুত্বর আহত ১জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। এব্যাপারে থানায় এজাহার দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। রোববার (২২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের কচুবনিয়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হচ্ছে কচুবনিয়া এলাকার মৃত মোহাম্মদের ছেলে শামসুল আলম(২৭), মো. আলম(২৫) তাদের মা মোমেনা খাতুন(৫০)। এদের মধ্যে শামসুল আলমকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।
আহত মো.আলমের সাথে কথা বলে জানা যায়, কচুবনিয়া এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা কারবারী ইতিপূর্বে পুলিশের উপর হামলা মামলার আসামী মৃত বশির আহমদের ছেলে মো. হোসেন প্রকাশ মাসন এলাকার একজন চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বাড়িতে প্রতিনিয়ত ইয়াবার লেনদেন হয়ে থাকে। তার নিকটাত্মীয় পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকার অপর তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারী আব্দুর রশিদের ছেলে মো. আইয়ুব মো. হোসেনের ইয়াবার অন্যতম পার্টনার। তাদের সাথে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকার ইয়াবা কারবারী ও বহনকারীদের যোগাযোগ রয়েছে। সেই সমস্ত ইয়াবা কারবারীরা প্রতিনিয়ত সেখানে আসা যাওয়া করে থাকে। অপরদিকে হামলায় আহত শামসুল আলমরা এই মো. হোসেনের প্রতিবেশী। এরই সূত্র ধরে বিভিন্ন সময় আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে উক্ত মো. হোসন ও আইয়ুব গংয়ের ইয়াবার চালান ধরা পড়লে তারা তাতে শামসুল আলম ও তার ভাইদের সন্দেহ করে গালমন্দ ও বকাসকা করে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে আসছিল।
তারই জের ধরে ঘটনার দিন অর্থাৎ রোববার রাতে মো. হোসন ও আইয়ুুবের নেতৃত্বে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকার একদল ইয়াবা সন্ত্রাসী শামসুল আলমদের বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর চালাতে থাকে। এতে বাঁধা দিতে গেলে তারা শামসুল আলম, মো. আলম ও তাদের মা মোমেনা খাতুনকে গুরুত্বর আহত করে। তাদের ধারালো দা’য়ের কুপে শামসুল আলম মারাত্মক ভাবে আহত হন। পরে সন্ত্রাসীরা হুমকি ধামকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। সন্ত্রাসীরা চলে গেলে আত্মীয়স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীরা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এদিকে রাতেই খবর পেয়ে টেকনাফ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার ছৈয়দুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হামলার কথা লোকমুখে শুনেছি তবে ঘটনায় জড়িত দুই পক্ষের কেউই বিষয়টি আমাকে জানায়নি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top