সিন্ডিকেট ও দালাল চক্রের দৌরাত্বে টেকনাফে গরুর হাট; ভোক্তারা বিপাকে

pic-12-08-2018-CWO.jpg

শামসু উদ্দীন, টেকনাফ::
আসন্ন কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে মিয়ানমার থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে গবাদি পশু টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ করিডোর দিয়ে আমদানী হয়ে আসছে।আমদানী কৃত গবাদি পশু আসার পর স্থানীয় দালাল চক্র ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারনে চড়া মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে। শাহপরীরদ্বীপ করিডোর ও স্থানীয় গবাদিপশুর হাট পরিদর্শন করে জানা যায়, হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার চেয়ে দালালের সংখ্যা বেশী বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারন ক্রেতারা জানিয়েছেন, কোন ক্রেতা গবাদিপশু দেখতে গেলে হঠাৎ আচমকা একজন এসে ধারনার চেয়ে বেশী মুল্যে ধাম ধর করে চলে যায়। ফলে বিপাকে পড়ে স্থানীয় সাধারন ক্রেতারা। গত এক সপ্তাহ পুর্বে যে গবাদি পশু টেকনাফের হাটে ৭০/৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি হত আজ সেই গবাদি পশু হাটে ৯০থেকে ১লাখ টাকা বিক্রয় হচ্ছে।

অপরদিকে শাহপরীরদ্বীপ করিডোর ঘুরে দেখা যায় মিয়ানমার থেকে আমদানী কৃত গরু, মহিষ অন্যান্য দিনের তুলনায় ২০/২৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত মুল্যে বিক্রি হচ্ছে।বর্তমানে করিডোরে প্রায় ২হাজার গবাদিপশু অবিক্রিত অবস্থায় খোলা আকাশের নিছে রয়েছে।

সাধারন ব্যবসায়ীরা করিডোর থেকে কোরবানীর গরু ক্রয় করতে গেলে ছড়া মুল্য শুনে হতবাক হয়ে যায় ভোক্তারা। আরো অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমার থেকে আসা গবাদিপশু প্রায় সময় রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে।

কিন্তুু পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য প্রাণী সম্পদ হাসপাতালের কোন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে দেখা যায় না। এনিয়ে ব্যবসায়ী মহল চরম হতাশা ওক্ষোভ প্রকাশ করছে।ফলে এ সুযোগে রোগাক্রান্ত পশু আমদানী হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছে।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়–য়া বলেন কোরবানী পশুরহাট ও করিডোরে আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনের স্বার্থে সার্বক্ষনিক নজরদারী রয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top