টেকনাফে পৌর শহরের সেই পুকুরটি ভরাট হয়ে গেলো : প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

Teknaf-pic-12.08.18.....jpg

মোঃ আশেকউল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ :
সকল বাঁধা বিপত্তি এবং অভিযোগ উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত সেই ঐতিহ্ন্যবাহী ও পরিবেশ বান্ধব পুকুরটি ভরাটের পর বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনে পরিনত হলো। এটি টেকনাফ পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে ইসলামাবাদস্থ টেকনাফ বাহারছড়া শামলাপুর সড়কের পাশ্বে তার অবাস্থান। টেকনাফ পানির সংকটাপন্ন এলাকা। অতীতে এ বড়দিঘি নামক পুকুর থেকে পানির চাহিদা মেঠাতো। আজ সেই পুকুরটি অবলুপ্ত হয়ে গেছে। ফলে পানির পরিবেশ একেবারে বিলুপ্তি। টেকনাফ পৌর শহরে যে কয়টি বড় দিঘি রয়েছে, তার মধ্যে জনবহুল ইসলামাবাদ এলাকার পুকুরটি অন্যতম। গরীব ও অসহায় কর্মজীবি পরিবার ও ব্যবসায়ীদের একমাত্র নির্ভরশীল পুকুরটি শেষ পর্যন্ত স্থানীয় ভূমিদস্যূ কর্তৃক ভরাট হয়ে গেলো। জানা যায় এ বড়দিঘিটি সম্পূর্ণ খাস পুকুর হলে বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করে প্রশাসনের চোখের সামনে কিভাবে রাতারাতি ভূমিদস্যুচক্র কর্তৃক বেদখল হয়ে গেলো তাহা নিয়ে পৌরবাসীরা হতভাগ। অথচঃ এলাকার সচেতন জনগণ এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ এবং স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে খাস পুকুরে সাইনবোর্ড টাংগিয়ে বলা হয়েছিল, এই পুকুরটি খাস মর্মে পুকুরে মাঠি ভরাট এবং কোন প্রকার স্থাপনা নির্মাণ না করার কঠোর নির্দেশনা জারী করলে ও অথচ সেই নির্দেশনা ভূলোন্ঠিত ও অকার্যকরে পরিনত হয়েছে। এ নিয়ে প্রশাসনের স্থবিরতা ও নীরবতার প্রেক্ষিতে শেষ পর্যন্ত ভূমিদস্যুচক্র কর্তৃক পুকুরটি ভরাটের পর এখন বাণিজ্যিক এবং আবাশিক ভবনের কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। প্রশ্ন উঠেছে এ পুকুরটি ভূমিদস্যূচক্র কর্তৃক ভরাট এবং দখলের বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও স্থানীয় জন সচেতন জনগণের লিখিত অভিযোগ করা সত্বেও কেন? এবং কিভাবে এ পুকুরটি রাতারাতী ভূমিদস্যূ কর্তৃক দখল হলো তাহা নিয়ে পৌরবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে। এ ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত সরকারী খাস জায়গা ভূমিদস্যুর হাতেই চলে যাচ্ছে। ভূমিহীন লোকেরা আরো ভূমিহীন হচ্ছে। দেখার কেউ নেই। এর দেখাদেখিতে পৌর এলাকাসহ অন্যান্য এলাকার বড় বড় পুকুরগুলো এভাবে ভরাটের আশংখা দেখা দিয়েছে। সচেতন মহলের মতে নীরবে ওরা কি? এভাবে পার পেয়ে যাবে ?

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top