ওসির মাদক বিরোধী অভিযান, এক ব্যক্তির ফেবু স্ট্যাটাস নিয়ে প্রশ্ন

35193448_2102073840012682_4239521574606077952_n.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক: সম্প্রতি দেশ থেকে মাদক নির্মূলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মাদক বিরোধী অভিযানের নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই অভিযানকে দেশের আপামর জনসাধারণ সাধুবাদ জানালেও শুরু থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টায় লিপ্ত কিছু স্বার্থান্বেষী মহল। মাদক অভিযান শুরুর নির্দেশ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন মাদকের সাথে জড়িত যে দলেরই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। কিন্তু জামায়াত-শিবিরের কিছু মানুষ অভিযান বন্ধের জন্য মায়া কান্না করে যাচ্ছে। যাহা রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল।

সম্প্রতি মিনার খান নামের জনৈক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে সফল ব্যক্তিত্ব পুলিশ পরিদর্শক রঞ্জিত কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে তথ্য বিবর্জিত মানহানিকর ও কু-রুচি পূর্ণ স্ট্যাটাসে বিস্মিত হয়েছে কক্সবাজার জেলার সাধারণ মানুষ। জনৈক ব্যক্তির আইডি অনুযায়ী সে ইতালিয়ান প্রবাসি। যদি ইতালিতে বসে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্নীতির খবর জানে জনৈক জ্ঞান পাপী তা হলে বাংলাদেশের গণমাধ্যম কি করে? জানতে চায় সাধারণ মানুষ। তিনি ফেনী জেলার দাগন ভূইঁয়া উপজেলার বাসিন্দা।

তিনি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ওসি রঞ্জিত বড়ুয়া টেকনাফ পদায়ন হওয়ার আগে কক্সবাজার সদর থানার ওসির দায়িত্ব পালন কালে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা আটকের পর ‘আত্মসাতের’ অভিযোগে স্বল্প সময়ের জন্য সদর থানা থেকে ক্লোজ হলেও ৭/৮ দিন পর পুনরায় টেকনাফ প্রাইজ পোষ্টিং হয়ে ওসি হিসাবে গত ২ মাস পূর্বে যোগদান করেন। কথিত গুজব আছে এই বদলিতে অন্য একজন পদায়ন হতে ৮০ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব চুড়ান্ত অবস্থায় রঞ্জিত বাবু ১ কোটি টাকা দিয়ে তাকে টেক্কা মেরে চলে যান। এই বদলিকে অনেকে টেন্ডার হিসাবে অভিহিত করে থাকেন।

ওসি রঞ্জিত বড়ুয়া একমাত্র পুলিশ পরিদর্শক যিনি স্মরণ কালেরে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে টেকনাফ থানায়। গত ৩ মাসে উক্ত থানার নানা সাফলতায় ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠেছে কক্সবাজার জেলা জুড়ে। ওসি রঞ্জিত বড়–য়ার নেতৃত্বে টেকনাফ থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে গত ৩ মাসে ১৮লক্ষ ৫০হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধারসহ ৭৫জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান করেন। যার ফলে উক্ত থানার ওসি রঞ্জিত বড়ুয়া চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ট পুলিশ পরিদর্শক হয়ে অর্জন করেন ডিআইজি পুরষ্কার।

ওসি রঞ্জিত কুমার বড়ুয়ার সফলতার মধ্যে রয়েছে, ১ মার্চ থেকে ১ জুন পর্যন্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিদের্শনায় পুলিশ সদস্যরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৮লক্ষ ৫০হাজার ইয়াবাবড়ি উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত ইয়াবার বাজার মূল্য অন্তত ৫৫কোটি ৫০লক্ষ টাকা বলে জানাগেছে। এসময় পুলিশ ৪০টি মাদক মামলার বিপরীতে ৪৫জন আসামীকে হাতে নাতে আটক করেন। উক্ত সময়ে পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭টি এলজি, ৩টি বন্দুক, ১টি পিস্তল ও ২০রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেন।

এদিকে রঞ্জিত কুমার বড়ুয়া জানান, ইয়াবার বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইজিপির নিদের্শনায় ইয়াবা শুন্যের কোটায় নিয়ে আসতে এ যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো জানান, পুলিশের মৌলিক কাজ আইন শৃংখলার দায়িত্ব হলেও সীমিত সংখ্যক জনবল নিয়ে মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top