হ্নীলায় মাদক গডফাদারদের বাড়িতে আশ্রয় না দেওয়ায় গুলিবিদ্ধসহ আহত-২

Teknaf-Pic-A-08-06-18.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক : র‌্যাব-পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার হওয়ার পর বিভিন্ন স্থানের তালিকাভূক্ত মাদক কারবারীরা আতœরক্ষার্থে পাহাড়ী জনপদে আশ্রয় নিয়েছে। এসব মাদক গডফাদারদের বাড়িতে আশ্রয় না দেওয়া এবং অবৈধ অস্ত্রের পাহারা না দেওয়ায় পৃথক হামলায় একজন গুলিবিদ্ধ ও পিটুনিতে অপর এক নারী আহত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও ভূক্তভোগী পরিবার এখনো আতংকে রয়েছে।
জানা যায়, গত ৭জুন রাত ১০টারদিকে উপজেলার হ্নীলা ঊলুচামরী কালু মিয়ার মোরার বাসিন্দা আব্দুল জাব্বারের পুত্র সিরাজুল ইসলাম প্রকাশ কালাপুতুর বাড়িতে স্থানীয় মৃত সিকদার আলীর পুত্র ও হ্নীলা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল হোছনের ভাই চিহ্নিত ডাকাত, একাধিক মামলার আসামী ইয়াবা গডফাদার হামিদ হোছন এবং পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত আব্দুল জাব্বারের পুত্র আব্দু রশিদ মিস্ত্রী রাতযাপনের জন্য ভীতি প্রদশৃন করে আশ্রয় চায়। কালাপুতু আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানালে হামিদ ও রশিদ ক্ষুদ্ধ হয়ে তার স্ত্রী ও মেয়েকে তাদের হাতে তুলে দিতে বলে। তা নিয়ে দু‘পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে হামিদ গং গুলিবর্ষণ করে। কালাপুতু প্রাণ রক্ষার্থে আড়ালে গেলেও ছিটকে গুলি কালাপুতুর শরীর বিভিন্ন অংশে লাগে। এই ঘটনার পর হামলাকারীরা পাশ^বর্তী আবু তালেবের বাড়িতে গিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রী আনোয়ারা বেগম প্রকাশ লালু (৩৫) কে বলে পাঠি বিছিয়ে দাও এবং মুরগীর ঘরে রাখা আমাদের অস্ত্র কে নিয়েছে বলে জানতে চায়? আনোয়ারা এই বিষয়ে কিছুই জানেনা বলে জানালে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশের এসআই শেখ সজিব সর্ঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সিরাজুল ইসলাম কালাপুতুর বাড়ির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ৮জুন সকালে গুলিবিদ্ধ সিরাজুল ইসলাম কালাপুতু ও পিটুনিতে গুরুতর আহত আনোয়ারাকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার নেওয়া হয়েছে।
এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়ুয়া, এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন চিকিৎসার পর লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।
এলাকায় এই ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ফেরারী অবস্থার মধ্যেও মাদক চোরাকারবারীদের এই ধরনের অপতৎপরতায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top