ব্যক্তি আয় করসীমা আড়াই লাখই থাকছে

image-57432-1528367745.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক |
২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তি আয় করসীমা অপরিবর্তিত থাকছে। যাদের বার্ষিক আয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম, তাদের কোনো কর দিতে হবে না।

এছাড়া নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ৩ লাখ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৪ লাখ ও গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা বহাল রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সংসদে উত্থাপিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই প্রস্তাব করেন।

এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছিল।

ওই হার বহাল রাখার পক্ষে যুক্তি দিয়ে বজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বছরে করমুক্ত আয়ের সাধারণ সীমা ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নারী করদাতাসহ বিভিন্ন শ্রেণির করদাতাদের জন্য এ সীমা কিছুটা বেশি ছিল।

তিনি বলেন, করমুক্ত আয়ের সীমা কী হবে; তা নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়। আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি যে উন্নত দেশগুলোতে করমুক্ত আয়সীমা সাধারণভাবে মাথাপিছু আয়ের ২৫ শতাংশের নিচে থাকে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে করমুক্ত আয়সীমা সাধারণত মাথাপিছু আয়ের সমান বা তার কম থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে করমুক্ত আয়ের সীমা মাথাপিছু আয়ের প্রায় দ্বিগুণের মতো। অর্থাৎ আমাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের তুলনায় অনেক বেশি। করমুক্ত আয়ের সীমা বেশি হলে কর প্রদানে সক্ষম বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি করজালের বাইরে থেকে যান। এতে করের ভিত্তি দুর্বল থাকে।

মুহিত বলেন, সার্বিক বিবেচনায় আমি আগামী বছরে করমুক্ত আয়ের সাধারণ সীমা ও করহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করছি।

তবে কোনো ব্যক্তি-করদাতার প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্য থাকলে প্রত্যেক সন্তান বা পোষ্যের জন্য তার করমুক্ত আয়সীমা ৫০ হাজার টাকা করে বাড়ানোর সুপারিশ করেন মুহিত।

অর্থাৎ কোনো করদাতার একজন প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্য থাকলে তার করমুক্ত আয়সীমা হবে তিন লাখ টাকা।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top