জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ বরাবরে ছাত্রলীগ নেতা আব্দুর রহিমের খোলা চিঠি

Teknaf-Pic-02-06-18-open-letter-1.jpg

টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি একরামুল হকের মৃত্যু নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ বরাবরে ছাত্রলীগ নেতা আব্দুর রহিমের খোলা চিঠি

বার্তা পরিবেশক ::

বরাবর,
সভাপতি-সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলা শাখা ও টেকনাফ উপজেলা শাখা।

বিষয় : বাংলাদেশের আলোচিত টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত করে সঠিক বিচারের আবেদন।
জনাব,
যথাবিহীত সম্মান পুর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ টেকনাফ উপজেলা শাখার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন নগন্য কর্মী হই। হে আমাদের কক্সবাজার আওয়ামী পরিবারের অভিভাবকগন, আপনারা নিশ্চয় অবগত আছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের বাংলাদেশকে মাদক মুক্ত করার জন্য সংগ্রামে নেমেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে,জননেত্রী শেখ হাসিনার এই মাদক বিরোধী অভিযানকে কাজে লাগিয়ে কিছু প্রভাবশালী মহল ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করার জন্য প্রশাসনকে কাজে লাগিয়েছেন। তার জলন্ত প্রমাণ আমাদের এই একরাম ভাই।
হে আমাদের সচেতন অভিভাবকবৃন্দ,টেকনাফে এমন ও মানুষ রয়েছে যারা গত এক বছর পুর্বে রিক্সা, ভ্যান গাড়ী চালাত, গাড়ীর হেল্পার ছিল তারা আজ কোটি কোটি টাকার মালিক, রয়েছে বিলাস বহুল বাড়ী,নামি দামী গাড়ী। কিন্তু যে মানুষটি দীর্ঘ একযুগ ধরে একটা উপজেলার আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ছিলেন ,একটানা তিনবার পৌর কাউন্সিলর ছিলেন তার কি কি থাকা প্রয়োজন ছিল? প্রশ্ন রয়ে গেল।
যার বিদ্যুতের বিল বকেয়া,দুই মেয়ের স্কুলের মাসিক ফি বকেয়া, একজন বর্তমান কাউন্সিলর হিসেবে যতটুকু ঘর থাকার কথা ছিল?, একটি থাকার ঘর নেই, নেই কোন গাড়ী, অন্যের দেয়া উপহারের একটি শখের মটর সাইকেল ছিল। যা তার একমাত্র সম্বল হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করত, যার কোন আয়ের পথ না থাকায় মটর সাইকেলের তৈল ও ব্যক্তিগত খরচ নিত পরিবারের কাছ থেকে। তিনি কিভাবে মাদক সম্রাট?
প্রিয় অভিভাবক বৃন্দ,আপনারা খবর নিয়ে দেখেন, এমন ও জনপ্রতিনিধি রয়েছে ; যারা দুই থেকে তিন বছর ক্ষমতা দখল করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনেগেছে।আর যিনি একটানা পনেরো বছর ক্ষমতা দখল করে একটি বাড়ীর পর্যন্ত মালিক হতে পারেনি। তিনি নাকি ইয়াবার গডফাদার? যাদের থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে তারা কি ফেরেশ্তা? আর থানায় যার কোন মামলা নেই কোন অভিযোগ নেই তিনিই গডফাদার?
অভিভাবকবৃন্দ,সম্প্রতি তার হত্যার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে, অদ্ভুদ কাহিনী যা শুনলে অবাক লাগে। আশা করি এই রেকর্ড থেকে তার হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসবে। নিহতের স্ত্রী বারবার দাবী করেছেন তার স্বামীকে পরিকল্পীত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আপনারা কোন পদক্ষেপ নিবেন কিনা?
সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ, আপনারা খবর নিয়ে দেখেন,টেকনাফের আওয়ামী পরিবারকে ধ্বংস করার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। যার সূচনা স্বরূপ আমাদের এই একরাম কমিশনার ভাইয়ের করুণ পরিণতি। প্রিয় অভিভাবক, এখন তাদের পরিবারের একমাত্র ভরসা আপনারাই। আপনারাই চাইলে এ হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার সম্ভব হবে।

নিবেদক :
আব্দুর রহিম
যুগ্নসাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
সাবরাং ইউনিয়ন শাখা।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top