সেন্টমার্টিনদ্বীপে বস্তা বস্তা ইয়াবা জব্দ হলেও ধরাছোয়ার বাহিরে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা

yaba-yaba.jpg

মোঃ আশেকউল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ :
পর্যটনের এখন ভরা মওসূম চলছে। এ সুযোগকে সামনে রেখে ইয়াবা ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারীরা সেন্টমার্টিনদ্বীপকে ইয়াবা চালান খালাসের নিরাপদ মনে করছেন। সেন্টমার্টিনদ্বীপের দক্ষিণ পাড়া, ছেড়া দ্বীয়া ও পশ্চিম পাড়া সাগর সৈকত এলাকা দিয়ে ফিশিং বোট যোগে প্রতিনিয়তই ইয়াবার চালান ঢুকছে। এ সব তথ্য উপাত্য নিয়ে টেকনাফ টুডে ডটকম এ ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশিত হবার পর কোষ্টগার্ড বাহিনীর অভিযানে জব্দ হচ্ছে, ইয়াবার বড় বড় চালান।

সর্বশেষ ১০ মার্চ ভোরে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পশ্চিম পাড়ার ঝাউ বাগান সংলগ্ন সাগর দিয়ে ইয়াবার একটি বড় ধরনের চালান খালাশ হবে মর্মে গোপন সংবাদ পেয়ে স্থানীয় কোষ্টগার্ড বাহিনী উৎপেতে থাকে। পরে তাদের হাতে জব্দ হয় ৫লাখ মালিক বিহীন ইয়াবার চালানটি।

কোষ্টগার্ড বাহিনীর বক্তব্য, তাদের টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। ফলে ওদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি। সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, সীমান্তের বাঘ থেকে কিভাবে ছাগল পালায় এবং জব্দ ইয়াবার পরিমাণ নিয়ে ও নানা প্রশ্ন সীমান্ত এলাকা জোড়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সেন্টমার্টিনদ্বীপে অতীতে কোষ্টগার্ড বাহিনীর অভিযানে একের পর এক ইয়াবার বড়ধরনের চালান জব্দ হলেও কিন্তু কেন? এর সাথে জড়িতরা ধরা পড়ছেনা। এমন প্রশ্ন অনেকের।

অনুসন্ধান করে জানান, সেন্টমার্টিনদ্বীপে একশ্রেণী প্রভাবশালীয় নেতৃত্বে ইয়াবার চালান দ্বীপে খালাস হচ্ছে। স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধিসহ ৬/৭জন ইয়াবা ব্যবসায়ীর সমন্নয়ে ইয়াবা ব্যবসা ও পাচার জমে উঠেছে। পর্যটনের ৫ মাসকে ওরা ইয়াবা ব্যবসার প্রকৃত মওসূম মনে করে পাশ্ববর্র্তী দেশ মিয়ানমার থেকে ফিশিং ট্রলার যোগে বস্তা বস্তা ইয়াবা নিয়ে আসে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার দক্ষিন পূর্ব জলসীমার জিরোপয়েন্ট দুদেশের জেলেদের মাধ্যমে হাতবদল হয়ে ইয়াবার চালান প্রবালদ্বীপের দক্ষিণ পাড়া ছেড়া দ্বীয়া ও পশ্চিম পাড়ায় খালাস হয়।

এসব ইয়াবার চালান বেশীরভাগ পর্যটকবেশী ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পাচারের সাথে জড়িত বলে জানা যায়।

অপরদিকে সেন্টমার্টিনদ্বীপে নামিদামি হোটেল মোটলে ইয়াবা সরবারহ করে পর্যটকদের আকৃষ্ঠ করা হয়। এখন পর্যটনের ভরা মওসূম চলছে। তাই ইয়াবার চালান আনতে ওরা এখন মরিয়া। ইয়াবা পাচার রোধে দক্ষিণ পাড়া আইন শৃংখলা বাহিনীর যৌথ চেকিং ব্যবস্থা প্রয়োজন। নচেৎ ইয়াবার বস্তা চেয়ে যাবে এবং সেন্টমার্টিন হয়ে যাবে ইয়াবার সর্গরাজ্যে ।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিক্তিতে জানা যায়, সেন্টমার্টিনদ্বীপে নীরবে পর্দার অন্তরালে বসে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, ওদের অপকর্মের মুখোশ উম্মোচন করা প্রয়োজন। ওদের বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে ব্যাপক জনশ্রুতি থাকলেও ওরা ক্ষমতাকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে আসছে। ওদের বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে তথ্য ভিক্তিক সংবাদ প্রকাশের সহযোগিতা করুন। নাম গোপন করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top