টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা চোরাচালান-(১)-সাবরাং সমূদ্র উপকূল ও মেরিন ড্রাইভ সড়কে রমরমা ইয়াবা বাণিজ্য

images-yaba-teknaf-today.jpg

মোঃ আশেকুল্লাহ ফারুকী,টেকনাফ : টেকনাফ সীমান্তের সাবরাং সমূদ্র উপকূল, মেরিন ড্রাইব সড়ক এবং মৎস্য ঘাট সমূহ ইয়াবা রমরমা বাণিজ্য চলছে। চলতি বছর জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহ ২ দিনে র‌্যাব-৭ ও বিজিবি পৃথক অভিযানে প্রায় ৪৫ কোটি টাকার মূল্যের ১৬ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ ৮ পাচারকারীকে আটক করেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবরাং ইউনিয়নের কাটাবনিয়া, মুন্ডারডেইল, সিকদার পাড়া, কোয়াংছড়ি পাড়ার মানবপাচারকারী ও তালিকাভূক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী একাধিক সিন্ডিকেট মিলে সাবরাং সমূদ্র উপকূল দিয়ে মিয়ানমার থেকে মাছ ধরার ট্রলার যোগে বস্তা বস্তা ইয়াবা নিয়ে আসছে। সাগর পথে মালয়েশিয়া মানব পাচার বন্ধ হয়ে যাবার পর ঐসব পাড়ার মানবপাচারকারীরা ইয়াবা ব্যবসা ও পাচারে মত্ত হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ মিয়ানমার পানি সীমানার মধ্যখানে দুদেশের জেলেদের মাধ্যমে হাতবদল হয়ে এসব ইয়াবা ঢুকছে। স্থল পথ তথা টেকনাফ কক্সবাজার সড়কে বিজিবি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের একাদিক চেকপোষ্টের কড়াকড়ির কারণে উপকূলের নৌপথ এবং মেরিন ড্রাইব সড়ক দিয়ে বিভিন্ন যানবাহনের আড়ালে এসব ইয়াবা দেশের আনাছে কানাছে পাচার হয়ে যাচ্ছে। গভীর রাত হলেই মেরিন ড্রাইব সড়ক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের যানবাহন থাকে সরগরম। সংশ্লিষ্টদের ম্যানেইজ করে বড় ধরণের ইয়াবার চালান পাচার হয়ে যায়। সাবরাং এর কাটাবনিয়া ও খুরের মূখ একটি প্রত্যান্ত এলাকা এবং প্রশাসনের নজরদারী না থাকাতে সাগর পথ দিয়ে সরাসরী ইয়াবার চালান ঢুকে। স্থানীয়রা মানবপাচারকারীর সাথে জড়িত থাকলেও ওরা দীর্ঘদিন যাবৎ অধরা। ওরা মানবপাচারের পরিবর্তে এখন ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত হয়ে পড়ায় সাগর উপকূল পথ তাদের কবজায়। সম্প্রতি এ প্রতিবেদক ইয়াবা সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিকবার রিপোর্ট প্রকাশিত হলেও প্রশাসন এ ব্যাপারে তেমন মাথা গামাচ্ছেনা। ফলে সমূদ্র উপকূল এবং মেরিন ড্রাইব সড়ক দিয়ে মিয়ানমার থেকে বানের স্রোতের ন্যায় চলে আসছে, বস্তা বস্তা ইয়াবা। ধারাবাহিক ভাবে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করতে ০১৮১৮০৮৭৩০৪ নাম্বারে তথ্য দিতে সীমান্তের সচেতন জনগণের কাছে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top