চার দিনের টেস্টের সমাপ্তি দুই দিনেই!

Rabada.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : পোর্ট এলিজাবেথের টেস্টটি এমনিতেই একদিন কম ছিলো। ইতিহাসের প্রথম নির্ধারিত চার দিনের টেস্ট ছিল এটি। আর চারদিনের বক্সিং-ডে টেস্টটিকে দুইদিনেই শেষ করে দিল স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। সর্বশেষ গত ৫০ বছরের টেস্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় ছোট ম্যাচ। পোর্ট এলিজাবেথেরে ডে-নাইট ম্যাচটিতে বল হয়েছে ৯০৭টি। এর আগে ২০০২ সালে শারজাহতে আস্ট্রেলিয়া বনাম পাকিস্তানের ম্যাচটিতে হয়েছিলো ৮৯৩টি বল।
ঐতিহাসিক টেস্টটিতে টস জিতে আগে ব্যাটিং বেছে নেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স। নিয়মিত অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসি পুরো ফিট না হওয়ায় এই টেস্টে খেলতে পারেন নি। তাই সাদা পোশাকে নিজের প্রত্যাবর্তনের টেস্টে অধিনায়কত্ব করছেন ডি ভিলিয়ার্স। প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে প্রোটিয়ারা ৯ ইউকেট হারিয়ে ৩০৯ রান সংগ্রহ করে ইনিংস ঘোষণা করে। অনবদ্য সেঞ্চুরি করে দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা করেন ওপেনার আইডেন মারকরাম। তার ১২৫ রানের ইনিংসটি ছিলো ২টি ৬ ও ১৪ চারে সাজানো। দীর্ঘদিন পর সাদা পোশাকে ফিরে জ্বলে ওঠেন ডি ভিলিয়ার্সও । ১টি ৬ ও ৫টি চারে সাজানো ছিলো ভিলিয়ার্সের ৫৩ রানের ইনিংসটি। এছাড়া ৪৪ রান করেছেন তেম্বা বাভুমা। জিম্বাবুয়ের পক্ষে জার্ভিস ও এমপোফু দুজনেই ৩টি করে উইকেট নেন। ২ উইকট নিয়েছেন গ্রায়েম ক্রেমার।
এদিকে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা। ইনিংসের প্রথম বলেই হ্যামিলটন মাসাকাদজার উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। মরকেলের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেন তিনি। পরে আরো দুই উইকেট তুলে নেন তিনি। মাঝে একটি উইকেট নিয়েছেন ভারনন ফিল্যান্ডার। তাতে ১৪ রানে ৪ উইকেটে হারিয়ে বসে জিম্বাবুয়ে। পরে অবশ্য রায়ান বুর্ল ও নাইটওয়াচ ম্যান জার্ভিস ৪ উইকেটে ৩০ রান করে প্রথম দিন শেষ করে জিম্বাবুয়ে। পরে দ্বিতীয় দিনে ব্যক্তিগত ১৬ রানে ‍বুর্ল ও ২৩ রানে জার্ভিস আউট হয়ে যাওয়ার পর আর দাঁড়াতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। তাদের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ৬৮ রানে।
ফলে ফলোঅনে পড়ে আবার মাঠে নামতে হয় সফরকরীদের। দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুটা ভালো করলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৪২.৩ ওভারে ১২১ রান করে অল আউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। আর এর মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ম্যাচটিতে ইনিংস ও ১২০ রানের বিশাল জয় তুলে নেয় এবি বাহিনী।
প্রথম ইনিংসে ৫ উইকট নেওয়া মরকেল দ্বিতীয় ইনিংসে কোন উইকেট পাননি। কেশব মহারাজ নিয়েছে ৫ উইকেট। ফেহলাকোয়ায়ো ৩টি এবং ফিলেন্ডার ও রাবাদা নিয়েছেন ১টি করে উইকেট। ম্যাচ সেরা হয়েছে আইডেন মারকরাম।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top