টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের চোরাই গরু মহিষের জমজমাট ব্যবসা

pic-11-09-17-Copy.jpg

শাহ মিজবাউল হক বাবলা, হোয়াইক্যং ::
রাখাইনের চলমান সহিংসতার পর থেকে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে হাজার হাজার গরু মহিষ ও ছাগল আসছে চোরাই পথে। চোরাই পথে আসা এইসব গরু, মহিষ ও ছাগলের বৈধতা দিয়ে যাচ্ছে হোয়াইক্যং বাজার ও মিনাবাজারের ইজারাদার’রা।

স্থানীয় ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা গরু মহিষ ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা যায় এবং ব্যবসায়ীদের কাছে থাকা ক্রয় রশিদে উল্লেখ আছে, মিনা বাজারের ইজারাদার শাহ আজিজুর রহমান মামুন এবং সৈয়দ আলী মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে আসা এক একটা গরু মহিষের জন্য দুই থেকে তিন হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রয় রশিদ তৈরি করে দিয়ে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করছে দেশকে।

এক ক্রেতা বলেন ইজারাদার মামুন একটি গরুর পিছনে ১হাজার টাকা করে নেয় অন্যথায় গরু রেখে যাওয়ার হুমকি দেয়। এইসব বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন নিরব ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। উক্ত ইজারাদারের মিনাবাজারের নির্দিষ্ট ইজারাদার হলেও তিনি মিনাবাজার ছাড়াও খারাংখালী, কাঞ্জর পাড়া,লাম্বাবিল,হোয়াইক্যং উত্তর পাড়া খারাংগা ঘোনা এবং উলুবনিয়া এলাকায় পাড়া মহল্লা, রাস্তায়, নাফ নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে মিনা বাজারের রশিদ বই নিয়ে মিয়ানমার হতে অবৈধ পথে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসা হাজার হাজার গরু মহিষের বৈধতা দিয়ে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের কিছু অসাধু ব্যক্তি সিন্ডিকেট করে রাতের আধারে অসহায় রোহিঙ্গাদের পেলে আসা গরু মহিষ ছুরি করে নাফ নদী পাঁড়ি দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসছে।

আরো জানা যায় স্থানীয় কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তি মুনাফা লাভের আসায় কিছু অসহায় রোহিঙ্গাদেরকে অতি উৎসাহিত করে মিয়ানমারে গরু মহিষ চুরি করে নিয়ে আসে বলে জানা যায়। আর উক্ত মুনাফা লোভি ব্যক্তিরা ইজারাদার হতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রশিদ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে উক্ত চোরাই গরু মহিষ পাচার করে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা এইসব বিষয়ে প্রশাসনের হস্তেক্ষেপ কামনা করেন। তাঁরা আরো বলেন মূলত হোয়াইক্যং বাজার এবং মিনাবাজারে কোরবানের বাজার ছাড়া অন্য সময়ে গরু বাজার বসেনা। অন্যতায় সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব হতে বঞ্চিত হবে।

হোয়াইক্যং বাজারের ইজারাদার সৈয়দ আলীর নিকট জানতে চাইলে বলেন, আমি হোয়াইক্যং বাজারের ইজারাদার আমার বাজার সীমানা পালংখালী খাল হতে উচিপ্রাং খাল পর্যন্ত এবং প্রতি রশিদের মূল্য জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রতি রশিদের মূল্য দুইশত টাকা।

মিনাবাজারের ইজারাদার শাহ আজিজুর রহমান মামুন বলেন আমার বাজারের সীমানা খারাংখালী বাজার হতে লাম্বাবিল দক্ষিণ মাতা পর্যন্ত । এবং দুই জনই অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়ে অস্বীকার করে ।

এই বিষয়ে উত্তর হ্নীলা ভূমি র্কমর্কতা বলেন প্রতিটি বাজারের চৌহদ্দি এক কিলিমিটার, এর বাইরে যদি ইজারাদার’রা রশিদ বিক্রয় করে তা সর্ম্পূন্য অবৈধ ।

উপজেলা সহকারি ভূমি কর্মকর্তা প্রনয় চাকমা বলেন উক্ত বিষয়ে আমি অবগত তবে ইজারাদারদের বিরুদ্ধে অবিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top