শাহপরীরদ্বীপ জালিয়াপাড়া ঘাটে রোহিঙ্গাদের নিয়ে আদম বানিজ্যে ২১ জনের সিন্ডিকেট

4321.png

নুরুল করিম রাসেল, টেকনাফ :
রোহিঙ্গাদের নিয়ে দালালদের বানিজ্য থেমে নেই। শাহপরীরদ্বীপ জালিয়া পাড়া সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে যাচ্ছে ২১ জনের একটি সিন্ডিকেট। প্রতি রাতে এই সিন্ডিকেটটি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংক, লুটে নিচ্ছে স্বর্ন। আবার পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে প্রবাসে থাকা তাদের স্বজনদের কাছ থেকে আদায় করছে নগদ অর্থ। জানা গেছে, সামশুল আলম শামীম প্রকাশ কাশুর নেতৃত্বে শাহপরীরদ্বীপ জালিয়া পাড়া সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে প্রতিরাতে ট্রলার ও নৌকা বোঝাই করে রাখাইনের মগনীপাড়া, দামনখালী, ফাদংসা, ফইন্যা পাড়া, সাইরাপাড়া ও নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা থেকে হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে নিয়ে আসছে। রাত নেমে আসলেই জালিয়া পাড়া সাইক্লোন শেল্টার হতে শামীমের বাড়ী পর্যন্ত নাফ নদীর পয়েন্টের ঘাটটি একটি অঘোষিত নৌ টার্মিনালে পরিণত হয়। সংশ্লিষ্ট সবমহলকে ম্যানেজ করে শামীমের নেতৃত্বে চলছে রোহিঙ্গাদের নিয়ে রমরমা এই বানিজ্য। এই সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যরা হচ্ছে শাহপরীরদ্বীপ জালিয়া পাড়ার এজাহার মিয়ার ছেলে আকবর প্রকাশ মাইলু, কালা মিয়ার ছেলে শফি আলম, জালাল আহমদের ছেলে কামাল হোসেন, এজাহার মিয়ার ছেলে আবদুল গণি, কালু মিয়ার ছেলে আবদুর রশিদ, জালাল আহমদের ছেলে মোহাম্মদ হোছন, মোঃ হোছেনের ছেলে সৈয়দ হোসেন, হোছন আলীর ছেলে ইকুম্মা, তাজুর মুল্লুকের ছেলে নুর মোহাম্মদ মাঝি, উমর কাজীর ছেলে মোঃ আলম, দুদুমিয়ার ছেলে নুরুল আলম, মোঃ হোছনের ছেলে ফজল করিম, নুর মোহাম্মনের ছেলে আবু তাহের, হেদায়েত আলীর ছেলে নাজির হোসেন, সৈয়দের ছেলে নুর হোসেন, জাগির হোসেন, বশরেরর ছেলে জামাল, রুস্তমের জামাতা আবদুল্লাহ, মকবুল আহমদের ছেলে আনু মিয়া, জালাল আহমদের ছেলে আবদুল করিম।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা বোঝাই কয়েকটি নৌকা তাদের ঘাটে ভিড়াতে টানা হেঁচড়া করতে গিয়ে এক পর্যায়ে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। এতে অনেক রোহিঙ্গা সলিল সমাধি হয়েছে বলে জানা গেছে।
রোহিঙ্গাদের নিয়ে নিষ্ঠুর আদম বানিজ্য বন্ধ করতে ২১ জনের এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরী বলে মনে করছেন সচেতনমহল।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top