চকরিয়ায় সরকারী রির্জাভ বনভুমি দখল করে চলছে রমরমা বাণিজ্য!

Chakaria-Pic-20-08-2017.jpg

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া :
চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জের পহরচাঁদা বন বিটের অধিনে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মোহছেনিয়া কাটা (মছইন্নাকাটা) ডেবলতলি মামুইন্না বাপের ঘোনা এলাকায় পাহাড়ের নীচে সরকারী রিজার্ভের বেশ কিছু জমি দখল করেছে ভুমিদস্যুরা। ইতিমধ্যেই মছইন্নাকাটার অন্তত একশ একর সরকারী ভুমি বেদখল হয়ে গেছে।
স্থানীয় সুত্রে অভিযোগে জানা যায়, এসব সরকারী ভুমি বেচা-কেনায় স্থানীয় বিট কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে টাকার বিনিময়ে মৌখিক অনুমতি নিয়েই ভুমিদস্যুরা বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে একশ টাকার স্ট্যাম্পের মাধ্যমে এসব জমি বিক্রি করে যাচ্ছে।
মামুইন্না ঘোনায় সদ্য নির্মিত বাড়ির মালিক নাছির উদ্দিন জানান, তার পুর্বের বাড়ী বরইতলী ইউনিয়নে ডেইঙ্গাকাটা গ্রামের। ওই এলাকার মৃত রশিদ আহমদের পুত্র আব্দুল জলিল থেকে স্টাম্পের মাধ্যমে সরকারী জমি ক্রয় করে বসতি নির্মান সহ চাষাবাদ করে অঅসছে।
সুত্র মতে, আব্দুল জলিল নিজেকে ভিলেজার পরিচয় দিয়েই বিট কর্মকর্তাকে প্রতি ঘর নির্মানের জন্য পাচঁ হাজার টাকা ধরিয়ে দিয়ে দেদারছেই এসব ভুমি দস্যুতা করে যাচ্ছে। এলাকাবাসী জানায়, মছইন্নাকাটা এলাকায় আব্দুল জলিল ও তার অপর সহযোগি আব্দুল মজিদ সহ অন্তত পাঁচ জনের একটি সংঘবদ্ধ ভুমি দস্যু সিন্ডিকেচ অভিনব প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে অবুঝ মানুষদের ফুসলিঁয়ে প্রতি একর জমির জন্য এক লাক টাকার দরদাম করে প্রথমে টাকা হাতিয়ে নিয়ে পরে এসব সরকারী রিজার্ভের জমিতে ঘর নির্মান করার সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে বিট কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের কার্যালযে গেলে তার অনুপস্থিতিতে একজন ফরেষ্ঠ গার্ড জানান, এলাকায় একটি প্রভাবশালী ভুমিদস্যু সিন্ডিকেট রয়েছে এবং তারা এসব করছে বলে তার কাছে খবর রয়েছে। মছইন্নাকাটার কয়েকজন লোক দাবী করে বলেন, কেউ কোন জমি আবাদ করলেই তাতে আব্দুল জলিল গং উড়ে এসে তা জবর দখল করে আবার অন্যকে টাকা দিয়ে বিক্রি করে সাথে বিট কর্মকর্তাকেও ম্যানেজ করে রাতারাতি সরকারী জমিতে ঘর নির্মানে সব ধরনের সহায়তা দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনেক মানুষ একটি সরকারী জমি আবাদ করে ২০ বছর দখলে থেকে চাষাবাদ করলেও তা প্রভাব খাটিয়ে এসব ভুমি দস্যু সিন্ডিকেট জবর দখল করে তা অন্যকে বিক্রি করে রাতারাতি জমিতে ঘর তৈরি করে বসে। স্থানীয়রা অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে এসব সরকারী রিজার্ভের জমি দকল মুক্ত করতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন-বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। #

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top