মিসর থেকে আসছে পেঁয়াজ কমবে দাম: বাণিজ্যমন্ত্রী

tofa_54921_1502429247.jpg

: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, শিগগিরই মিসর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ আসছে। আর ঈদের আগেই এটা বাজারে যাবে। এতে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি দামও কমবে। চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানকে দ্রুততার সঙ্গে আমদানি করা পেঁয়াজ খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিত্যপণ্যের মূল্য পর্যালোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ঈদুল আজহায় কোরবানির গরুরও সংকট হবে না। সরকারের বিশেষ উদ্যোগে এখন দেশে পর্যাপ্ত গরু উৎপাদন হচ্ছে। চাহিদা পূরণের জন্য বিদেশ থেকে আর গরু আমদানির প্রয়োজন হবে না।

সভায় নিত্যপণ্যের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা ছাড়াও বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর, আমদানি ও রফতানি অধিদফতরের প্রধান নিয়ন্ত্রক আফরোজা খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মন্ত্রী ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজের দাম নির্ধারণে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, মিসর থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। সরবরাহও স্বাভাবিক থাকবে। তাই পেঁয়াজের দামও আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। শুধু পেঁয়াজ নয়, কোনো পণ্যের মূল্য যাতে বৃদ্ধি না পায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে দেশে এসব পণ্যের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় পেঁয়াজ আমদানিকারকরা মন্ত্রীকে বন্দর থেকে খালাসে কর্তৃপক্ষের অযথা হয়রানি ও দীর্ঘসূত্রতায় পড়ার আশঙ্কার কথা জানান। এ কথা শুনে মন্ত্রী সভায় বসেই বন্দর চেয়ারম্যানকে ফোন করেন এবং পেঁয়াজ খালাসের প্রক্রিয়া দ্রুততর ও সহজ করার নির্দেশনা দেন।

সভা শেষে মন্ত্রী পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ উল্লেখ করে সাংবাদিকদের বলেন, দেশে পেঁয়াজের চাহিদা ২২ লাখ মেট্রিক টন। উৎপাদন হয় ১৮ লাখ মেট্রিক টন। ঘাটতি ৪ লাখ মেট্রিক টন। বিগত সময়ে ভারত থেকে আমদানি করা হতো। কিন্তু এ বছর বাংলাদেশের মতো ভারতেও অতি বৃষ্টি ও বন্যা হচ্ছে। এর ফলে সে দেশেও বেড়ে গেছে পেঁয়াজের দাম। তাই এবার বিকল্প বাজার হিসেবে ব্যবসায়ীরা মিসর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছেন।

তোফায়েল আহমেদ আরও জানান, আসন্ন ঈদুল আজহায় চামড়ার ব্যবহার এবং ভোজ্য লবণের চাহিদা মেটানোর জন্য ৫ লাখ মেট্রিক টন লবণ আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। দেশের চলমান ২৩২টি লবণ মিলকে ২১৫০ মেট্রিক টন করে লবণ আমদানির অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারের লবণ উৎপাদনকারী ও মিল মালিকরাও রয়েছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top